লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি নিয়ে কোনো সংকট নেই: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম দেশে আসা নিয়ে কোনো ধরনের সংকট নেই বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে শিল্পকলা একাডেমিতে বিশ্ব হাসি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ‘ঠোঁট-তালু কাটা কোনো অভিশাপ নয়, চিকিৎসায় ভালো হয়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রকল্পের জ্বালানি সরবরাহ বা ইউরেনিয়াম আসার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা রয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “না, না, না। ইনশাল্লাহ নাই, ইনশাল্লাহ নাই।”

রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি বড় ও জটিল প্রকল্প। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে গিয়ে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সব ধরনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, “আমরা একটা একটা করে ধাপে এগোচ্ছি। সামনে নেক্সট স্টেপে যাব। ইনশাল্লাহ, আপনারা সবাই দোয়া করবেন।”

প্রকল্পটিতে বিপুলসংখ্যক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, কোনো যন্ত্রে সমস্যা দেখা দিলে সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আবার চালু করতে হয়। এছাড়া উচ্চ তাপমাত্রায় কাজ করার পর যন্ত্রপাতি ঠান্ডা বা ‘কোল্ড ডাউন’ করতেও সময় প্রয়োজন হয়। রূপপুরকে আন্তর্জাতিক মানের ‘থ্রি জেনারেশন প্লাস’ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধরনের নিরাপত্তাবিধি মেনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এ জন্য দেশবাসীর কাছে সময় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর নির্ধারিত সময় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বড় প্রকল্পে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা সামনে আসে। ফলে আগে নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হলেও সবসময় সেই সময়সীমা ধরে রাখা সম্ভব হয় না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বড় কোনো কাজের ক্ষেত্রে অজানা সমস্যা সামনে আসতেই পারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রেও দুই বছরে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও সবসময় নির্ধারিত সময়ে তা শেষ করা সম্ভব হয় না।

প্রকল্পটি নিয়ে সঠিক তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা হয় আমাকে জিজ্ঞেস করবেন, না হয় আমার সেক্রেটারি সাহেবকে, পিডিকে বা এমডিকে জিজ্ঞেস করবেন।” বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করলে প্রকল্পের প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হয়, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রকল্প নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো প্রশ্ন করা যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রূপপুরে ১ হাজার ২২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিলেও নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ এগিয়ে নিতে হচ্ছে। প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উত্তরায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়পত্রসহ তিন প্রতারক গ্রেপ্তার

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি নিয়ে কোনো সংকট নেই: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম দেশে আসা নিয়ে কোনো ধরনের সংকট নেই বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে শিল্পকলা একাডেমিতে বিশ্ব হাসি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ‘ঠোঁট-তালু কাটা কোনো অভিশাপ নয়, চিকিৎসায় ভালো হয়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রকল্পের জ্বালানি সরবরাহ বা ইউরেনিয়াম আসার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা রয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “না, না, না। ইনশাল্লাহ নাই, ইনশাল্লাহ নাই।”

রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি বড় ও জটিল প্রকল্প। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে গিয়ে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সব ধরনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, “আমরা একটা একটা করে ধাপে এগোচ্ছি। সামনে নেক্সট স্টেপে যাব। ইনশাল্লাহ, আপনারা সবাই দোয়া করবেন।”

প্রকল্পটিতে বিপুলসংখ্যক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, কোনো যন্ত্রে সমস্যা দেখা দিলে সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আবার চালু করতে হয়। এছাড়া উচ্চ তাপমাত্রায় কাজ করার পর যন্ত্রপাতি ঠান্ডা বা ‘কোল্ড ডাউন’ করতেও সময় প্রয়োজন হয়। রূপপুরকে আন্তর্জাতিক মানের ‘থ্রি জেনারেশন প্লাস’ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধরনের নিরাপত্তাবিধি মেনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এ জন্য দেশবাসীর কাছে সময় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর নির্ধারিত সময় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বড় প্রকল্পে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা সামনে আসে। ফলে আগে নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হলেও সবসময় সেই সময়সীমা ধরে রাখা সম্ভব হয় না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বড় কোনো কাজের ক্ষেত্রে অজানা সমস্যা সামনে আসতেই পারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রেও দুই বছরে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও সবসময় নির্ধারিত সময়ে তা শেষ করা সম্ভব হয় না।

প্রকল্পটি নিয়ে সঠিক তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা হয় আমাকে জিজ্ঞেস করবেন, না হয় আমার সেক্রেটারি সাহেবকে, পিডিকে বা এমডিকে জিজ্ঞেস করবেন।” বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করলে প্রকল্পের প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হয়, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রকল্প নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো প্রশ্ন করা যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রূপপুরে ১ হাজার ২২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিলেও নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ এগিয়ে নিতে হচ্ছে। প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।