লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংস্কারের পরেই ভেঙে পড়ল সাঘাটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

গাইবান্ধার সাঘাটায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে বাঁধটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে হাইস্কুল এলাকা থেকে বটতলা হয়ে ডাকবাংলা বাজার পর্যন্ত যাতায়াতকারী এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘ অবহেলার পর সম্প্রতি বাঁধটি সংস্কার করা হলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা পুনরায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁধের ওপর দিয়ে মাটি ও বালুবাহী ভারী ট্রাক্টর অবাধে চলাচল করায় এর কাঠামো ধসে পড়ছে। কোনো ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় বেপরোয়াভাবে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে বাঁধের ওপর গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ধুলো-কাদায় এটি পথচারী ও ছোট যানবাহনের জন্য চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জলিল জানান, সরকারি উদ্যোগে বড় অংকের অর্থ ব্যয়ে সংস্কার কাজ করা হলেও এর সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বটতলা থেকে ডাকবাংলা বাজার পর্যন্ত বাঁধের বিভিন্ন অংশ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ধস নেমে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে বাঁধের ওপর দিয়ে ভারী ও অবৈধ যান চলাচল বন্ধ করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দ্রুত মেরামতসহ কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি আসন্ন বন্যায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে সাঘাটার সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলমান বর্ষাকালে বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বর্তমানে কোনো বাজেট বরাদ্দ নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় খুব বেশি প্রয়োজন হলে বাজেটের জন্য আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে বুধবার দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক এনসিপির

সংস্কারের পরেই ভেঙে পড়ল সাঘাটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে বাঁধটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে হাইস্কুল এলাকা থেকে বটতলা হয়ে ডাকবাংলা বাজার পর্যন্ত যাতায়াতকারী এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘ অবহেলার পর সম্প্রতি বাঁধটি সংস্কার করা হলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা পুনরায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁধের ওপর দিয়ে মাটি ও বালুবাহী ভারী ট্রাক্টর অবাধে চলাচল করায় এর কাঠামো ধসে পড়ছে। কোনো ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় বেপরোয়াভাবে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে বাঁধের ওপর গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ধুলো-কাদায় এটি পথচারী ও ছোট যানবাহনের জন্য চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জলিল জানান, সরকারি উদ্যোগে বড় অংকের অর্থ ব্যয়ে সংস্কার কাজ করা হলেও এর সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বটতলা থেকে ডাকবাংলা বাজার পর্যন্ত বাঁধের বিভিন্ন অংশ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ধস নেমে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে বাঁধের ওপর দিয়ে ভারী ও অবৈধ যান চলাচল বন্ধ করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দ্রুত মেরামতসহ কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি আসন্ন বন্যায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে সাঘাটার সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলমান বর্ষাকালে বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বর্তমানে কোনো বাজেট বরাদ্দ নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় খুব বেশি প্রয়োজন হলে বাজেটের জন্য আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান।