লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বর পালনের আহ্বান জানালেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান

আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সংঘটিত পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সেই সময় দেশে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা সেই পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। সে সময় ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে মুখরিত জনতার অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয় আরও সুদৃঢ় হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটগুলো মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা রুখে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরাচারী প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার যে কোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করার লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার এবং সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ শিল্প খাতের ঋণে নতুন নিয়ম করল বাংলাদেশ ব্যাংক

৭ নভেম্বর পালনের আহ্বান জানালেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সংঘটিত পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সেই সময় দেশে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা সেই পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। সে সময় ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে মুখরিত জনতার অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয় আরও সুদৃঢ় হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটগুলো মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা রুখে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরাচারী প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার যে কোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করার লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার এবং সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।