লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন যে, শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ অবশিষ্ট নেই। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনাসহ ভারতে অবস্থানরত যেসব আসামির বিচার হয়েছে বা যাদের বিচার প্রয়োজন, তাদের প্রত্যার্পন চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ সরকার বারবার চিঠি ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখায় ভারত সরকার ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে সাড়া দেবে এবং তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না, কারণ দুই দেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং সংলাপ চলমান থাকবে। উদাহরণস্বরূপ, বিমসটেকের সভায় উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, জুলাই মাসে যারা নিহত ও আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের জন্য বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। যেহেতু ইতোমধ্যে সাজা হয়ে গেছে, তাই আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণের আর কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা রাখলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে—এটাই আইনি প্রক্রিয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

২০০৬ সালের রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর: দুই দশক পরও নির্বাচনকালীন সরকারে আস্থার সংকট

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন যে, শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ অবশিষ্ট নেই। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনাসহ ভারতে অবস্থানরত যেসব আসামির বিচার হয়েছে বা যাদের বিচার প্রয়োজন, তাদের প্রত্যার্পন চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ সরকার বারবার চিঠি ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখায় ভারত সরকার ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে সাড়া দেবে এবং তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না, কারণ দুই দেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং সংলাপ চলমান থাকবে। উদাহরণস্বরূপ, বিমসটেকের সভায় উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, জুলাই মাসে যারা নিহত ও আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের জন্য বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। যেহেতু ইতোমধ্যে সাজা হয়ে গেছে, তাই আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণের আর কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা রাখলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে—এটাই আইনি প্রক্রিয়া।