লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে শ্রমিক মৃত্যু: জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তার দাবি আসলাম চৌধুরীর

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তিনি নিহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক শোকবার্তায় আসলাম চৌধুরী বলেন, জাহাজভাঙা শিল্প বন্ধ করে দেওয়া কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। বরং শ্রমিকের জীবন রক্ষা করেই নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, শ্রমিক বাঁচলেই শিল্প বাঁচবে।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শিপইয়ার্ডে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি। ফেরদৌস ইয়ার্ডে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু কেবল একটি নির্দিষ্ট ইয়ার্ডের দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি পুরো জাহাজভাঙা শিল্পের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। তিনি কাগজের সনদনির্ভর নিরাপত্তার পরিবর্তে বাস্তব ও জবাবদিহিমূলক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের ‘আত্মঘাতী’ নীতিতেই বর্তমান জ্বালানি সংকট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীতাকুণ্ডে শ্রমিক মৃত্যু: জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তার দাবি আসলাম চৌধুরীর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তিনি নিহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক শোকবার্তায় আসলাম চৌধুরী বলেন, জাহাজভাঙা শিল্প বন্ধ করে দেওয়া কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। বরং শ্রমিকের জীবন রক্ষা করেই নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, শ্রমিক বাঁচলেই শিল্প বাঁচবে।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শিপইয়ার্ডে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি। ফেরদৌস ইয়ার্ডে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু কেবল একটি নির্দিষ্ট ইয়ার্ডের দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি পুরো জাহাজভাঙা শিল্পের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। তিনি কাগজের সনদনির্ভর নিরাপত্তার পরিবর্তে বাস্তব ও জবাবদিহিমূলক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।