লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আকুর বিল পরিশোধ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সদস্য দেশগুলোর জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৩৯ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এই অর্থ পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ কমে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকুর বিল পরিশোধের আগের দিন রোববার পর্যন্ত গ্রোস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আকুর দায় মেটানোর পর মোট রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভের (এনআইআর) হিসাব অনুযায়ী, ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ বর্তমানে ২৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে। দেশে প্রতি মাসে গড়ে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হয়, সেই হিসাবে বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ বিবেচনা করা হয়, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখনো স্বস্তিদায়ক।

এর আগে গত ৭ জুলাই আকুর মে-জুন মেয়াদের ১৪৮ কোটি ডলারের বিল পরিশোধ করা হয়েছিল। তখন বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার এবং মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানি লেনদেনের দায় দুই মাস অন্তর নিষ্পত্তি করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত আকুর সদর দপ্তরের এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তান যুক্ত রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শ্রীলঙ্কার সদস্যপদ বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থগিত আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ মাসের মধ্যে ঢাকায় পুনরায় চালু হচ্ছে ওয়াটার বাস

আকুর বিল পরিশোধ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সদস্য দেশগুলোর জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৩৯ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এই অর্থ পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ কমে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকুর বিল পরিশোধের আগের দিন রোববার পর্যন্ত গ্রোস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আকুর দায় মেটানোর পর মোট রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভের (এনআইআর) হিসাব অনুযায়ী, ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ বর্তমানে ২৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে। দেশে প্রতি মাসে গড়ে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হয়, সেই হিসাবে বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ বিবেচনা করা হয়, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখনো স্বস্তিদায়ক।

এর আগে গত ৭ জুলাই আকুর মে-জুন মেয়াদের ১৪৮ কোটি ডলারের বিল পরিশোধ করা হয়েছিল। তখন বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার এবং মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানি লেনদেনের দায় দুই মাস অন্তর নিষ্পত্তি করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত আকুর সদর দপ্তরের এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তান যুক্ত রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শ্রীলঙ্কার সদস্যপদ বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থগিত আছে।