লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসামের গুয়াহাটিতে হোটেলে অতর্কিত বন্দুক হামলা, নিহত ৬

ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির একটি হোটেলে সোমবার সন্ধ্যায় বন্দুকধারীদের অতর্কিত হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নগরীর বোরা সার্ভিস এলাকার জিএস রোডে অবস্থিত 'হোটেল বিলাস ইন'-এ ভয়াবহ এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ইতোমধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে হোটেল বিলাস ইনের মালিক হেলেনা ভারালি, তাঁর ছেলে দেবর্ষী কাশ্যপ এবং তাঁদের পরিবারের গাড়ির চালক রয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় নারায়ণ দাসসহ তিনজনকে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (জিএমসিএইচ) নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়।

প্রাথমিক তদন্ত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ ধারণা করছে, সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোলাগুলি শুরুর ঠিক আগে চারজন ব্যক্তি ওই হোটেলে প্রবেশ করেছিলেন। ঘটনাটি ঘটাতে সেখানে অন্তত সাত রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে জানা গেছে।

গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহান্ত হতাহতের সার্বিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। বর্তমানে পুরো ঘটনার ক্রম, হামলায় জড়িতদের আসল পরিচয় ও তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জনপ্রিয় সংবাদ

পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়ার বিনিয়োগের প্রস্তাব

আসামের গুয়াহাটিতে হোটেলে অতর্কিত বন্দুক হামলা, নিহত ৬

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির একটি হোটেলে সোমবার সন্ধ্যায় বন্দুকধারীদের অতর্কিত হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নগরীর বোরা সার্ভিস এলাকার জিএস রোডে অবস্থিত 'হোটেল বিলাস ইন'-এ ভয়াবহ এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ইতোমধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে হোটেল বিলাস ইনের মালিক হেলেনা ভারালি, তাঁর ছেলে দেবর্ষী কাশ্যপ এবং তাঁদের পরিবারের গাড়ির চালক রয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় নারায়ণ দাসসহ তিনজনকে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (জিএমসিএইচ) নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়।

প্রাথমিক তদন্ত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ ধারণা করছে, সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোলাগুলি শুরুর ঠিক আগে চারজন ব্যক্তি ওই হোটেলে প্রবেশ করেছিলেন। ঘটনাটি ঘটাতে সেখানে অন্তত সাত রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে জানা গেছে।

গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহান্ত হতাহতের সার্বিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। বর্তমানে পুরো ঘটনার ক্রম, হামলায় জড়িতদের আসল পরিচয় ও তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।