লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ ফ্রান্সের

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ফরাসিদের বিশ্বকাপের স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে স্পেন। পুরো বিশ্ব যাকে অপ্রতিরোধ্য মনে করছিল, সেই ফ্রান্সকে থামিয়ে দিয়ে স্পেন নিশ্চিত করেছে ফাইনালের টিকিট। ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ ও চমৎকার বিল্ডআপের সামনে ফরাসিরা অসহায় হয়ে পড়েছিল। ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে মাঠের মধ্যে বলের জন্য দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন, কিন্তু নিজের স্বভাবসুলভ উজ্জ্বলতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন ইয়ামাল ডি বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন এবং লুকাস দিনিয়ে তাকে বাধা দিতে গিয়ে ফাউল করে বসেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে মিকেল ওইয়ারজাবাল নিখুঁত শটে গোল করেন, যা ছিল বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল। এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা হলো ৫। এই গোলের পর ফ্রান্স যেন খেলার ছন্দ হারিয়ে ফেলে। ফরাসিদের সাবেক অধিনায়ক প্যাট্রিক ভিয়েরা আইটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানান, পুরো দলে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল এবং স্পেনের বিপক্ষে তারা যেন অতিরিক্ত ভীত ছিল।

ফরাসি শিবিরে দুঃসময়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের আট মিনিট পর পিঠের ব্যথার কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা। এরপর ফরাসিদের আক্রমণভাগের ওলিসে এবং দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। বিখ্যাত ফরাসি দৈনিক লেকিপ মন্তব্য করেছে যে, প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রান্স কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল এবং এই পরাজয় ছিল অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত।

ম্যাচজুড়ে স্পেনের হয়ে পেদ্রো পোরোর পাসিং এবং কুকুরেয়ার অসাধারণ অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো। ফ্রান্স কয়েকবার চেষ্টা করলেও তাদের সব আক্রমণ ছিল এলোমেলো ও নিয়ন্ত্রণহীন। শেষ পর্যন্ত স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাস আর ফরাসি খেলোয়াড়দের কান্নার মধ্য দিয়ে ম্যাচটি শেষ হয়। ফরাসি বাস্তিল দিবসে এই পরাজয় তাদের তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নকে ম্লান করে দিল।

২০২৪ ইউরোর পর ফরাসিদের বিপক্ষে আরও একবার নিজেদের আধিপত্যের পুনরাবৃত্তি ঘটালো স্প্যানিশরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিআইজির বাংলোয় রহস্যময় অভিযান: নেপথ্যে কি অভ্যন্তরীণ স্বার্থের দ্বন্দ্ব?

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ ফ্রান্সের

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ফরাসিদের বিশ্বকাপের স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে স্পেন। পুরো বিশ্ব যাকে অপ্রতিরোধ্য মনে করছিল, সেই ফ্রান্সকে থামিয়ে দিয়ে স্পেন নিশ্চিত করেছে ফাইনালের টিকিট। ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ ও চমৎকার বিল্ডআপের সামনে ফরাসিরা অসহায় হয়ে পড়েছিল। ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে মাঠের মধ্যে বলের জন্য দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন, কিন্তু নিজের স্বভাবসুলভ উজ্জ্বলতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন ইয়ামাল ডি বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন এবং লুকাস দিনিয়ে তাকে বাধা দিতে গিয়ে ফাউল করে বসেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে মিকেল ওইয়ারজাবাল নিখুঁত শটে গোল করেন, যা ছিল বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল। এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা হলো ৫। এই গোলের পর ফ্রান্স যেন খেলার ছন্দ হারিয়ে ফেলে। ফরাসিদের সাবেক অধিনায়ক প্যাট্রিক ভিয়েরা আইটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানান, পুরো দলে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল এবং স্পেনের বিপক্ষে তারা যেন অতিরিক্ত ভীত ছিল।

ফরাসি শিবিরে দুঃসময়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের আট মিনিট পর পিঠের ব্যথার কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা। এরপর ফরাসিদের আক্রমণভাগের ওলিসে এবং দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। বিখ্যাত ফরাসি দৈনিক লেকিপ মন্তব্য করেছে যে, প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রান্স কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল এবং এই পরাজয় ছিল অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত।

ম্যাচজুড়ে স্পেনের হয়ে পেদ্রো পোরোর পাসিং এবং কুকুরেয়ার অসাধারণ অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো। ফ্রান্স কয়েকবার চেষ্টা করলেও তাদের সব আক্রমণ ছিল এলোমেলো ও নিয়ন্ত্রণহীন। শেষ পর্যন্ত স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাস আর ফরাসি খেলোয়াড়দের কান্নার মধ্য দিয়ে ম্যাচটি শেষ হয়। ফরাসি বাস্তিল দিবসে এই পরাজয় তাদের তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নকে ম্লান করে দিল।

২০২৪ ইউরোর পর ফরাসিদের বিপক্ষে আরও একবার নিজেদের আধিপত্যের পুনরাবৃত্তি ঘটালো স্প্যানিশরা।