লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতার দোকান থেকে লুট হওয়া চিনি উদ্ধার

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৩০০ বস্তা চিনিসহ একটি কাভার্ডভ্যান গায়েবের ঘটনায় চকরিয়া থেকে সাড়ে ৭ টন চিনির একটি বড় চালান উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের নোনাছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চিনি জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া চিনির চালানটি হারবাং ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রাসেলের একটি বন্ধ টেইলার্সের দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পটিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে এ পর্যন্ত লুট হওয়া ৩০০ বস্তার মধ্যে ২৮৪ বস্তা বা ১৪.২ টন চিনি উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বান্দরবানের আজিজনগর বাজারের ‘রাজিব স্টোর’ থেকে ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়েছিল। সর্বশেষ নোনাছড়ির এই অভিযানে ১৫০ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাভার্ডভ্যান চালক মো. আলমগীর পরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে ১৫ টন চিনি আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে এসব চিনি চকরিয়া ও আজিজনগর এলাকার অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে কম দামে বিক্রি করে দেয়া হয়। এই সিন্ডিকেটের মূলহোতা মো. রাহাত উদ্দিন জুয়েল এবং নোনাছড়ির টেইলার্সের মালিক রাসেল আপন দুই ভাই।

হারবাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল আহমদ জানিয়েছেন, অভিযানের খবর পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ী জুয়েল ও রাসেল তাদের বাড়িঘর তালাবদ্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন। এর আগে গত বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় চিনিবিহীন কাভার্ডভ্যানটি পাওয়া গিয়েছিল। এই ঘটনার পর লুণ্ঠিত চিনির মালিক মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় কাভার্ডভ্যান চালক আলমগীর ও মুদি দোকানি রাহাত উদ্দিন জুয়েলকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেন।

পটিয়া থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, চালক আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সিন্ডিকেটের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমানও এই উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্ট মার্টিনে পর্যটক সীমা বাড়িয়ে সাড়ে তিন হাজার করল সরকার

চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতার দোকান থেকে লুট হওয়া চিনি উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৩০০ বস্তা চিনিসহ একটি কাভার্ডভ্যান গায়েবের ঘটনায় চকরিয়া থেকে সাড়ে ৭ টন চিনির একটি বড় চালান উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের নোনাছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চিনি জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া চিনির চালানটি হারবাং ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রাসেলের একটি বন্ধ টেইলার্সের দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পটিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে এ পর্যন্ত লুট হওয়া ৩০০ বস্তার মধ্যে ২৮৪ বস্তা বা ১৪.২ টন চিনি উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বান্দরবানের আজিজনগর বাজারের ‘রাজিব স্টোর’ থেকে ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়েছিল। সর্বশেষ নোনাছড়ির এই অভিযানে ১৫০ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাভার্ডভ্যান চালক মো. আলমগীর পরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে ১৫ টন চিনি আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে এসব চিনি চকরিয়া ও আজিজনগর এলাকার অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে কম দামে বিক্রি করে দেয়া হয়। এই সিন্ডিকেটের মূলহোতা মো. রাহাত উদ্দিন জুয়েল এবং নোনাছড়ির টেইলার্সের মালিক রাসেল আপন দুই ভাই।

হারবাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল আহমদ জানিয়েছেন, অভিযানের খবর পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ী জুয়েল ও রাসেল তাদের বাড়িঘর তালাবদ্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন। এর আগে গত বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় চিনিবিহীন কাভার্ডভ্যানটি পাওয়া গিয়েছিল। এই ঘটনার পর লুণ্ঠিত চিনির মালিক মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় কাভার্ডভ্যান চালক আলমগীর ও মুদি দোকানি রাহাত উদ্দিন জুয়েলকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেন।

পটিয়া থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, চালক আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সিন্ডিকেটের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমানও এই উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।