লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় গ্রিডে সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু

জাতীয় গ্যাস গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে সামিট এলএনজি টার্মিনাল। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে টার্মিনালটি থেকে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়।

রাত ৮টার দিকে ইমেইলের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে সামিট। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ধাপে ধাপে গ্যাসের সরবরাহ বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে সামিটের এই অতিরিক্ত সরবরাহ শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর থাকা চাপও কিছুটা কমতে পারে।

সামিট এলএনজি জানিয়েছে, টার্মিনালের কারিগরি সক্ষমতা এবং জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্যভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্যাস সংকট কমাতে পেট্রোবাংলা ও সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সামিট কাজ চালিয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানের দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত, ব্যাগেজ কন্ট্রোলার শাখাওয়াত এখনো বহাল

জাতীয় গ্রিডে সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় গ্যাস গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে সামিট এলএনজি টার্মিনাল। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে টার্মিনালটি থেকে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়।

রাত ৮টার দিকে ইমেইলের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে সামিট। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ধাপে ধাপে গ্যাসের সরবরাহ বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে সামিটের এই অতিরিক্ত সরবরাহ শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর থাকা চাপও কিছুটা কমতে পারে।

সামিট এলএনজি জানিয়েছে, টার্মিনালের কারিগরি সক্ষমতা এবং জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্যভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্যাস সংকট কমাতে পেট্রোবাংলা ও সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সামিট কাজ চালিয়ে যাবে।