লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে থিয়াগো মেসিকে? নতুন স্বপ্ন সমর্থকদের

কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পর অনেকেই ভেবেছিলেন সেটিই হয়তো লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তবে সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে ৩৯ বছর বয়সেও উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকা। যদিও স্পেনের কাছে হেরে এবার রানার্সআপ হতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে, তবুও পুরো টুর্নামেন্টে নিজের নেতৃত্ব ও ফুটবলীয় মেধা দিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মেসি।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের কল্পনার জগৎ নতুন মোড় নিয়েছে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর, ফলে বিশ্বমঞ্চে তাকে দেখার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এই পরিস্থিতিতে অনেক আর্জেন্টাইন সমর্থক এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসিকে নিয়ে। ১৩ বছর বয়সী থিয়াগোকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

হিসাবটি বেশ সহজ; ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে থিয়াগোর বয়স হবে ১৮ বছর। যদি আগামী কয়েক বছরে সে পেশাদার ফুটবলে দ্রুত নিজের জায়গা করে নিতে পারে, তবে জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়া অসম্ভব নয়। যদি কোনোভাবে মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও কিছুদিন টিকে থাকেন, তবে ফুটবল বিশ্ব বাবা ও ছেলের একই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মাঠে নামার বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে পারে।

বর্তমানে থিয়াগো তার স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। সে ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন করছে এবং ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে শিরোপাও জিতেছে। থিয়াগোর প্রতিটি গোল, ম্যাচ এবং অগ্রগতির দিকে এখন বাড়তি আগ্রহ নিয়ে নজর রাখছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে থিয়াগো জানিয়েছে, সুযোগ পেলে সে আর্জেন্টিনার জার্সি পরেই খেলতে চায় এবং বাবার পথ অনুসরণ করেই জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে আগ্রহী। যদিও জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ রয়েছে তার, কিন্তু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সে এরই মধ্যে পরিষ্কার অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চবি ক্যাম্পাসে ২৫ হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের

২০৩০ বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে থিয়াগো মেসিকে? নতুন স্বপ্ন সমর্থকদের

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পর অনেকেই ভেবেছিলেন সেটিই হয়তো লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তবে সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে ৩৯ বছর বয়সেও উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকা। যদিও স্পেনের কাছে হেরে এবার রানার্সআপ হতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে, তবুও পুরো টুর্নামেন্টে নিজের নেতৃত্ব ও ফুটবলীয় মেধা দিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মেসি।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের কল্পনার জগৎ নতুন মোড় নিয়েছে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর, ফলে বিশ্বমঞ্চে তাকে দেখার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এই পরিস্থিতিতে অনেক আর্জেন্টাইন সমর্থক এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসিকে নিয়ে। ১৩ বছর বয়সী থিয়াগোকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

হিসাবটি বেশ সহজ; ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে থিয়াগোর বয়স হবে ১৮ বছর। যদি আগামী কয়েক বছরে সে পেশাদার ফুটবলে দ্রুত নিজের জায়গা করে নিতে পারে, তবে জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়া অসম্ভব নয়। যদি কোনোভাবে মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও কিছুদিন টিকে থাকেন, তবে ফুটবল বিশ্ব বাবা ও ছেলের একই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মাঠে নামার বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে পারে।

বর্তমানে থিয়াগো তার স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। সে ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন করছে এবং ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে শিরোপাও জিতেছে। থিয়াগোর প্রতিটি গোল, ম্যাচ এবং অগ্রগতির দিকে এখন বাড়তি আগ্রহ নিয়ে নজর রাখছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে থিয়াগো জানিয়েছে, সুযোগ পেলে সে আর্জেন্টিনার জার্সি পরেই খেলতে চায় এবং বাবার পথ অনুসরণ করেই জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে আগ্রহী। যদিও জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ রয়েছে তার, কিন্তু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সে এরই মধ্যে পরিষ্কার অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।