লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোরের নিস্তব্ধতায় চিন্তার উৎস ও আমাদের বিশ্বাসের স্বরূপ

লেখক অপূর্ব চৌধুরী ভোরের শান্ত সময়টিকে নিজের একান্ত সময় হিসেবে উপভোগ করেন। তার দৈনন্দিন রুটিন অনুযায়ী, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে দিনের কাজ শুরু করা তার পছন্দের পদ্ধতি। অন্ধকারের শেষে আলো ফোটার এই মুহূর্তে পড়াশোনা, চিন্তাভাবনা ও লেখালেখির কাজ করেন তিনি। আজ ভোরে সূর্য ওঠার আগেই তিনি ঘুম থেকে উঠে প্রাত্যহিক কাজ সেরে জানালার ধারে এক মগ গরম চা নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ভোরের হালকা ঠাণ্ডায় মগের ওম তাকে এক বিশেষ প্রশান্তি দেয়।

এই নিস্তব্ধ সময়ে লেখকের মনে একটি মৌলিক প্রশ্ন জাগে—আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং কীভাবে আমাদের মতামত তৈরি হয়? তিনি লক্ষ্য করেন, আমরা প্রায়শই নিজেদের মতামত বলে যা প্রচার করি, তা আসলে আমাদের চারপাশের পরিবেশ, শিক্ষা, ধর্ম, সমাজ, পরিবার কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ধার করা। আমরা সচেতনভাবে কোনো কিছু পরীক্ষা না করেই সেগুলোকে সত্য বলে গ্রহণ করি এবং পরে সেগুলোর পক্ষে যুক্তি তৈরি করি।

অপূর্ব চৌধুরীর মতে, মানুষ পরিচিত বিষয়গুলোকে খুব সহজে সত্য বলে মেনে নেয়। আমাদের মস্তিষ্ক বা মন পরিচিতিকেই স্বাভাবিক মনে করার এক প্রবণতা লালন করে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আমরা কি আসলেই নিজেদের মতামত নিজে তৈরি করছি, নাকি চারপাশের তৈরি করা বাস্তবতার একটি সংস্করণকে নিজের বলে চালিয়ে দিচ্ছি? লেখক এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, আমরা যা বিশ্বাস করি তার পক্ষে যুক্তি খুঁজি, বরং আগে বিশ্বাস করি এবং পরে তার স্বপক্ষে যুক্তি সাজাই। তার মতে, আমরা কীভাবে ভাবছি, সেটিই আমাদের ভাবনার মূল চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের চা-বাগানের টিলায় জন্মানো লতা বিক্রি করছেন শ্রমিকেরা

ভোরের নিস্তব্ধতায় চিন্তার উৎস ও আমাদের বিশ্বাসের স্বরূপ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

লেখক অপূর্ব চৌধুরী ভোরের শান্ত সময়টিকে নিজের একান্ত সময় হিসেবে উপভোগ করেন। তার দৈনন্দিন রুটিন অনুযায়ী, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে দিনের কাজ শুরু করা তার পছন্দের পদ্ধতি। অন্ধকারের শেষে আলো ফোটার এই মুহূর্তে পড়াশোনা, চিন্তাভাবনা ও লেখালেখির কাজ করেন তিনি। আজ ভোরে সূর্য ওঠার আগেই তিনি ঘুম থেকে উঠে প্রাত্যহিক কাজ সেরে জানালার ধারে এক মগ গরম চা নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ভোরের হালকা ঠাণ্ডায় মগের ওম তাকে এক বিশেষ প্রশান্তি দেয়।

এই নিস্তব্ধ সময়ে লেখকের মনে একটি মৌলিক প্রশ্ন জাগে—আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং কীভাবে আমাদের মতামত তৈরি হয়? তিনি লক্ষ্য করেন, আমরা প্রায়শই নিজেদের মতামত বলে যা প্রচার করি, তা আসলে আমাদের চারপাশের পরিবেশ, শিক্ষা, ধর্ম, সমাজ, পরিবার কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ধার করা। আমরা সচেতনভাবে কোনো কিছু পরীক্ষা না করেই সেগুলোকে সত্য বলে গ্রহণ করি এবং পরে সেগুলোর পক্ষে যুক্তি তৈরি করি।

অপূর্ব চৌধুরীর মতে, মানুষ পরিচিত বিষয়গুলোকে খুব সহজে সত্য বলে মেনে নেয়। আমাদের মস্তিষ্ক বা মন পরিচিতিকেই স্বাভাবিক মনে করার এক প্রবণতা লালন করে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আমরা কি আসলেই নিজেদের মতামত নিজে তৈরি করছি, নাকি চারপাশের তৈরি করা বাস্তবতার একটি সংস্করণকে নিজের বলে চালিয়ে দিচ্ছি? লেখক এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, আমরা যা বিশ্বাস করি তার পক্ষে যুক্তি খুঁজি, বরং আগে বিশ্বাস করি এবং পরে তার স্বপক্ষে যুক্তি সাজাই। তার মতে, আমরা কীভাবে ভাবছি, সেটিই আমাদের ভাবনার মূল চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়।