লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের অনীহার নেপথ্যে কী?

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি উঠেছে। তবে দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতের অনীহা ও টালবাহানা নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। ভারতের এই অবস্থানের নেপথ্যে তাদের নিজস্ব ভূরাজনৈতিক স্বার্থ এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ জড়িয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্পর্শকাতর বিষয়ে ভারতের আইন-বহির্ভূত পদক্ষেপের একাধিক উদাহরণ রয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ যখন কলকাতায় ছদ্মনামে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তখন তাকে কোনো প্রত্যর্পণ আইন ছাড়াই আটক করে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দিয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আবার জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার অন্যতম সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে ঢাকার হাইকোর্ট এলাকা থেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘদিন ভারতের কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছিল। এমনকি বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মামুনুল হকের গ্রেপ্তারের পর আলেমসমাজ দাবি তুলেছিল, যেন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া না হয়। এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, নিজেদের স্বার্থে আইন ছাড়াই অনেক কিছু করেছে ভারত, কিন্তু শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে তারা এখন আইন ও আদালতের দোহাই দিচ্ছে।

বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে কেন্দ্র করে আলোচনায় ঢাকা স্পষ্টভাবেই শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শরীফ ওসমান হাদির খুনিদের ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আইনি জটিলতার কথা তুলছে। উল্টো দেশটির সাবেক কয়েকজন কূটনীতিক হুমকি দিয়ে বলছেন, তারেক রহমান ভারত সফরে না গেলে নিজের ক্ষতি নিজেই করবেন। সাবেক কূটনীতিক বীনা সিক্রি যখন শেখ হাসিনার বিকল্প হিসেবে তারেক রহমানের কথা বলেন, তখন মনে রাখতে হবে—একজন পাতানো ও ভুয়া ভোটের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি গণঅভ্যুত্থানে বিতাড়িত হয়েছেন; আর অন্যজন বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনার এই আশ্রয়কে অনেকে সিকিমের লেন্দুপ দরজির সঙ্গে তুলনা করেন, যাকে কাজ শেষে ভারত ছুড়ে ফেলেছিল। তবে বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে লেন্দুপ হওয়ার আগেই ক্ষমতা থেকে ছুড়ে ফেলেছে। এখন তিব্বতের দালাইলামার মতোই শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন। বিবিসি জানিয়েছে, ভারত মনে করে শেখ হাসিনাকে সে দেশে রেখেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের আলোচনা চালানো সম্ভব। তবে রাজনৈতিক আশ্রয়ের ক্ষেত্রে মানবিক ও দাসত্বমূলক—এই দুই ধরনের উদাহরণ রয়েছে। যেমন ইরানের আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে ফ্রান্স মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছিল। আবার ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তারেক রহমানকে হত্যার চক্রান্ত করা হলে ব্রিটেন তার পাশে দাঁড়িয়েছিল, যেখানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। ফলে শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেখানে সফর করা কতটা সংগত, তা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা প্রয়োজন।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি বিদেশে ছিলেন এবং ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই তাকে দেশে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশে ফেরার মাত্র কয়েকদিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে শেখ হাসিনা তাকে নিঃশর্ত সমর্থন দেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে এরশাদকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ভারতের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জিয়ার হত্যাকারী হওয়ার কারণেই শেখ হাসিনা এরশাদকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকার পরও ভারত কেন শেখ হাসিনার বিষয়ে এত সংবেদনশীল? ভারত নিজেই বিশ্বমঞ্চে মুসলিম নির্যাতন ও মসজিদ ভাঙার মতো ঘটনায় নিন্দিত হচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশ 'মক্কা জোটে' যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশের পর থেকে ভারত নতুন বাহানা খুঁজছে, যদিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে মক্কা জোট মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব বিষয়। আসলে ভারত বা শেখ হাসিনা কেউই চায় না বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হোক। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ইসলামি চেতনা ধ্বংস করতে এবং দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তিকে গুম-খুনের মাধ্যমে নিধন করতে ভারতের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এই নীলনকশার কারণেই ভারত তাকে তাদের বিশ্বস্ত অনুগত হিসেবে এখনো পুষতে চায়। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিজয়ীদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কাকে রুখতে হবে আর কাকে পুষতে হবে।

তারেক রহমানকে ১/১১ সরকারের সময় যখন হত্যার চক্রান্ত করা হয়েছিল, তখন ব্রিটেন তার পাশে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি কেউ কেউ বলেছেন, তারেক রহমান যখন লন্ডনে ছিলেন, তখন তো শেখ হাসিনা একবারও বলেননি তারেক রহমানকে ফিরিয়ে না দিলে ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা হবে না। এরা ভুলে গেছেন যে, তারেক রহমান সেখানে গিয়েছিলেন উন্নত চিকিৎসার জন্য। শেখ হাসিন

৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা বিদেশে ছিলেন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই তাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেন। কিন্তু শেখ হাসিনা দেশে আসার কয়েক দিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। এরপর ১৯৮৩ সালে নির্বাচিত সাত্তার সরকারকে সরিয়ে এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে শেখ হাসিনা এরশাদকে নিঃ

জনপ্রিয় সংবাদ

কোটালীপাড়ায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, আহত ২

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের অনীহার নেপথ্যে কী?

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি উঠেছে। তবে দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতের অনীহা ও টালবাহানা নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। ভারতের এই অবস্থানের নেপথ্যে তাদের নিজস্ব ভূরাজনৈতিক স্বার্থ এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ জড়িয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্পর্শকাতর বিষয়ে ভারতের আইন-বহির্ভূত পদক্ষেপের একাধিক উদাহরণ রয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ যখন কলকাতায় ছদ্মনামে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তখন তাকে কোনো প্রত্যর্পণ আইন ছাড়াই আটক করে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দিয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আবার জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার অন্যতম সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে ঢাকার হাইকোর্ট এলাকা থেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘদিন ভারতের কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছিল। এমনকি বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মামুনুল হকের গ্রেপ্তারের পর আলেমসমাজ দাবি তুলেছিল, যেন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া না হয়। এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, নিজেদের স্বার্থে আইন ছাড়াই অনেক কিছু করেছে ভারত, কিন্তু শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে তারা এখন আইন ও আদালতের দোহাই দিচ্ছে।

বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে কেন্দ্র করে আলোচনায় ঢাকা স্পষ্টভাবেই শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শরীফ ওসমান হাদির খুনিদের ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আইনি জটিলতার কথা তুলছে। উল্টো দেশটির সাবেক কয়েকজন কূটনীতিক হুমকি দিয়ে বলছেন, তারেক রহমান ভারত সফরে না গেলে নিজের ক্ষতি নিজেই করবেন। সাবেক কূটনীতিক বীনা সিক্রি যখন শেখ হাসিনার বিকল্প হিসেবে তারেক রহমানের কথা বলেন, তখন মনে রাখতে হবে—একজন পাতানো ও ভুয়া ভোটের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি গণঅভ্যুত্থানে বিতাড়িত হয়েছেন; আর অন্যজন বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনার এই আশ্রয়কে অনেকে সিকিমের লেন্দুপ দরজির সঙ্গে তুলনা করেন, যাকে কাজ শেষে ভারত ছুড়ে ফেলেছিল। তবে বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে লেন্দুপ হওয়ার আগেই ক্ষমতা থেকে ছুড়ে ফেলেছে। এখন তিব্বতের দালাইলামার মতোই শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন। বিবিসি জানিয়েছে, ভারত মনে করে শেখ হাসিনাকে সে দেশে রেখেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের আলোচনা চালানো সম্ভব। তবে রাজনৈতিক আশ্রয়ের ক্ষেত্রে মানবিক ও দাসত্বমূলক—এই দুই ধরনের উদাহরণ রয়েছে। যেমন ইরানের আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে ফ্রান্স মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছিল। আবার ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তারেক রহমানকে হত্যার চক্রান্ত করা হলে ব্রিটেন তার পাশে দাঁড়িয়েছিল, যেখানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। ফলে শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেখানে সফর করা কতটা সংগত, তা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা প্রয়োজন।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি বিদেশে ছিলেন এবং ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই তাকে দেশে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশে ফেরার মাত্র কয়েকদিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে শেখ হাসিনা তাকে নিঃশর্ত সমর্থন দেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে এরশাদকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ভারতের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জিয়ার হত্যাকারী হওয়ার কারণেই শেখ হাসিনা এরশাদকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকার পরও ভারত কেন শেখ হাসিনার বিষয়ে এত সংবেদনশীল? ভারত নিজেই বিশ্বমঞ্চে মুসলিম নির্যাতন ও মসজিদ ভাঙার মতো ঘটনায় নিন্দিত হচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশ 'মক্কা জোটে' যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশের পর থেকে ভারত নতুন বাহানা খুঁজছে, যদিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে মক্কা জোট মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব বিষয়। আসলে ভারত বা শেখ হাসিনা কেউই চায় না বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হোক। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ইসলামি চেতনা ধ্বংস করতে এবং দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তিকে গুম-খুনের মাধ্যমে নিধন করতে ভারতের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এই নীলনকশার কারণেই ভারত তাকে তাদের বিশ্বস্ত অনুগত হিসেবে এখনো পুষতে চায়। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিজয়ীদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কাকে রুখতে হবে আর কাকে পুষতে হবে।

তারেক রহমানকে ১/১১ সরকারের সময় যখন হত্যার চক্রান্ত করা হয়েছিল, তখন ব্রিটেন তার পাশে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি কেউ কেউ বলেছেন, তারেক রহমান যখন লন্ডনে ছিলেন, তখন তো শেখ হাসিনা একবারও বলেননি তারেক রহমানকে ফিরিয়ে না দিলে ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা হবে না। এরা ভুলে গেছেন যে, তারেক রহমান সেখানে গিয়েছিলেন উন্নত চিকিৎসার জন্য। শেখ হাসিন

৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা বিদেশে ছিলেন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই তাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেন। কিন্তু শেখ হাসিনা দেশে আসার কয়েক দিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। এরপর ১৯৮৩ সালে নির্বাচিত সাত্তার সরকারকে সরিয়ে এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে শেখ হাসিনা এরশাদকে নিঃ