লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ হারালেন কলেজছাত্র

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে সাদিজ শাহরিয়ার সানম (২৪) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সীতার পাহাড় এলাকার পাথরঘাটা নামক স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সাদিজ নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং একজন কলেজছাত্র ছিলেন। তার বাবা মো. নাছির উদ্দিন একজন অবসরপ্রাপ্ত এএসপি।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ঢাকা ও নরসিংদী থেকে ১২ জনের একটি পর্যটক দল কাপ্তাইয়ের সীতার পাহাড় এলাকায় ঘুরতে এসেছিল। রোববার দুপুরে ঘোরাঘুরি শেষে দলটির কয়েকজন সদস্য কর্ণফুলী নদীর পাথরঘাটা এলাকায় গোসল করতে নামেন। এ সময় সাদিজ পানিতে নামলে নিখোঁজ হয়ে যান। কাপ্তাই সীতাঘাট মন্দিরের অধ্যক্ষ জ্যোতির্ময়ানন্দ মহারাজ এবং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

খবর পেয়ে দুপুর দেড়টার দিকে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নদীতে স্রোতের তীব্রতা থাকায় উদ্ধারকাজ কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। পরবর্তীতে রাঙামাটি থেকে একটি ডুবুরি দল এবং কাপ্তাই নৌবাহিনী ঘাঁটি শহীদ মোয়াজ্জেমের ডুবুরি দল অভিযানে যোগ দেয়। কাপ্তাই থানা-পুলিশও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা প্রদান করে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০ ফুট দূর থেকে সাদিজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহটি উদ্ধারের পর কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে এবং পানিতে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল জানান, ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পরপরই কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রিদ ডার্বিতে মরিনহোর রিয়ালকে হারিয়ে জয়ের ধারায় অ্যাটলেটিকো

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে গোসলে নেমে প্রাণ হারালেন কলেজছাত্র

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে সাদিজ শাহরিয়ার সানম (২৪) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সীতার পাহাড় এলাকার পাথরঘাটা নামক স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সাদিজ নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং একজন কলেজছাত্র ছিলেন। তার বাবা মো. নাছির উদ্দিন একজন অবসরপ্রাপ্ত এএসপি।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ঢাকা ও নরসিংদী থেকে ১২ জনের একটি পর্যটক দল কাপ্তাইয়ের সীতার পাহাড় এলাকায় ঘুরতে এসেছিল। রোববার দুপুরে ঘোরাঘুরি শেষে দলটির কয়েকজন সদস্য কর্ণফুলী নদীর পাথরঘাটা এলাকায় গোসল করতে নামেন। এ সময় সাদিজ পানিতে নামলে নিখোঁজ হয়ে যান। কাপ্তাই সীতাঘাট মন্দিরের অধ্যক্ষ জ্যোতির্ময়ানন্দ মহারাজ এবং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

খবর পেয়ে দুপুর দেড়টার দিকে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নদীতে স্রোতের তীব্রতা থাকায় উদ্ধারকাজ কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। পরবর্তীতে রাঙামাটি থেকে একটি ডুবুরি দল এবং কাপ্তাই নৌবাহিনী ঘাঁটি শহীদ মোয়াজ্জেমের ডুবুরি দল অভিযানে যোগ দেয়। কাপ্তাই থানা-পুলিশও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা প্রদান করে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০ ফুট দূর থেকে সাদিজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহটি উদ্ধারের পর কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে এবং পানিতে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল জানান, ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পরপরই কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।