লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে, তারা মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে। মেরিল্যান্ডে সোমবার আয়োজিত এয়ার অ্যান্ড স্পেস সাইবার কনফারেন্সে মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শত্রুপক্ষের হামলা থেকে মার্কিন যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কক্ষপথে মোতায়েনযোগ্য ‘অন-অরবিট স্পেস কন্ট্রোল উইপন’ বা মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র তৈরি ও মোতায়েন করেছে।

তবে ঠিক কী ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে বা এগুলোর কার্যপদ্ধতি কী, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি মেইঙ্ক। ওয়াশিংটনের এই নতুন অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া ও চীন।

মহাকাশে রাশিয়ার সম্ভাব্য অস্ত্র তৈরির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ২০২৪ সালে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, রাশিয়া মহাকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন এন্টি-স্যাটেলাইট অস্ত্র তৈরির কাজ করছে। যদিও হোয়াইট হাউস সে সময় জানিয়েছিল যে, রাশিয়ার ওই অস্ত্র থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই, তবুও মার্কিন যোগাযোগ ও অবকাঠামো ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে স্যাটেলাইটনির্ভর হওয়ায় এই উদ্বেগ অব্যাহত ছিল।

সম্মেলনে মেইঙ্ক আরও জানান, মার্কিন বিমানবাহিনী তাদের সক্ষমতা বাড়াতে আরও বেশি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যুক্ত করছে। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩২ সালের মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর কার্যপদ্ধতি ও সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, ভবিষ্যতে একমুখী হামলাকারী ড্রোনগুলো প্রথাগত কামান বা আর্টিলারির পরিবর্তে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রধান ঘাতক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বিদ্যমান হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প স্পেস ফোর্স প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘কিং’ সিনেমায় গাইছেন অরিজিৎ সিং, ইঙ্গিত দিলেন শাহরুখ

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে, তারা মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে। মেরিল্যান্ডে সোমবার আয়োজিত এয়ার অ্যান্ড স্পেস সাইবার কনফারেন্সে মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শত্রুপক্ষের হামলা থেকে মার্কিন যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কক্ষপথে মোতায়েনযোগ্য ‘অন-অরবিট স্পেস কন্ট্রোল উইপন’ বা মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র তৈরি ও মোতায়েন করেছে।

তবে ঠিক কী ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে বা এগুলোর কার্যপদ্ধতি কী, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি মেইঙ্ক। ওয়াশিংটনের এই নতুন অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া ও চীন।

মহাকাশে রাশিয়ার সম্ভাব্য অস্ত্র তৈরির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ২০২৪ সালে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, রাশিয়া মহাকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন এন্টি-স্যাটেলাইট অস্ত্র তৈরির কাজ করছে। যদিও হোয়াইট হাউস সে সময় জানিয়েছিল যে, রাশিয়ার ওই অস্ত্র থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই, তবুও মার্কিন যোগাযোগ ও অবকাঠামো ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে স্যাটেলাইটনির্ভর হওয়ায় এই উদ্বেগ অব্যাহত ছিল।

সম্মেলনে মেইঙ্ক আরও জানান, মার্কিন বিমানবাহিনী তাদের সক্ষমতা বাড়াতে আরও বেশি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যুক্ত করছে। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩২ সালের মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর কার্যপদ্ধতি ও সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, ভবিষ্যতে একমুখী হামলাকারী ড্রোনগুলো প্রথাগত কামান বা আর্টিলারির পরিবর্তে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রধান ঘাতক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বিদ্যমান হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প স্পেস ফোর্স প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।