লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় পঞ্চগড়ের দুই ইউএনওকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় পঞ্চগড়ের দুই ইউএনওকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

বিশেষ প্রতিনিধি: কবির মোঃ সামসুল আলম ফাইটার।

পঞ্চগড় সদর ও আটোয়ারী উপজেলার খাল পুনঃখনন ও খননকাজ শেষে অব্যয়িত প্রায় ১৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করায় দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার রজলী টাঙ্গন ব্রিজ থেকে রজলী পাড়া পর্যন্ত ৬৩০ মিটার খাল পুনঃখনন এবং ৬০ মিটার নতুন সংযোগ খাল খনন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৯০ মিটার খালের কাজ সম্পন্ন হয়। এ প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৩৮ লাখ টাকা। কাজ শেষে অব্যয়িত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা।
অন্যদিকে, আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বাকডোকরা খাল খনন প্রকল্পে মোট ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পে অব্যয়িত ৯ লাখ ৩৯ হাজার ১৯১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রীপা মনি দেবী।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খাল খননের পাশাপাশি পরিবেশ ও নান্দনিকতার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আটোয়ারীর বাকডোকরা খালের দুই পাশে সবুজ ঘাস লাগানোর উদ্যোগ প্রকল্পটির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার পর অব্যয়িত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। উন্নয়নের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ কাজের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পেয়েছি। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার। এমন উৎসাহ ভবিষ্যতে আরও ভালো ও জনকল্যাণমূলক কাজ করতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।”
আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রীপা মনি দেবী জানান, গত ৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের ৮৪ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানার পাশাপাশি তিনিও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “আটোয়ারী উপজেলার খাল খনন প্রকল্পের দুই পাশে সবুজ ঘাস লাগানোর বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বসহকারে উল্লেখ করেছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের খাল খনন প্রকল্পে খালের দুই পাশে সবুজায়নের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, দুই উপজেলায় খাল খনন শেষে মোট ১২ লাখ ৪২ হাজার ৪৪৬ টাকা অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থ সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগকে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি বাসায় ভাড়াটে রাখলে বরাদ্দ বাতিল করবে আবাসন পরিদপ্তর

অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় পঞ্চগড়ের দুই ইউএনওকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় পঞ্চগড়ের দুই ইউএনওকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

বিশেষ প্রতিনিধি: কবির মোঃ সামসুল আলম ফাইটার।

পঞ্চগড় সদর ও আটোয়ারী উপজেলার খাল পুনঃখনন ও খননকাজ শেষে অব্যয়িত প্রায় ১৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করায় দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার রজলী টাঙ্গন ব্রিজ থেকে রজলী পাড়া পর্যন্ত ৬৩০ মিটার খাল পুনঃখনন এবং ৬০ মিটার নতুন সংযোগ খাল খনন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৯০ মিটার খালের কাজ সম্পন্ন হয়। এ প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৩৮ লাখ টাকা। কাজ শেষে অব্যয়িত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা।
অন্যদিকে, আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বাকডোকরা খাল খনন প্রকল্পে মোট ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পে অব্যয়িত ৯ লাখ ৩৯ হাজার ১৯১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রীপা মনি দেবী।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খাল খননের পাশাপাশি পরিবেশ ও নান্দনিকতার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আটোয়ারীর বাকডোকরা খালের দুই পাশে সবুজ ঘাস লাগানোর উদ্যোগ প্রকল্পটির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার পর অব্যয়িত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। উন্নয়নের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ কাজের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পেয়েছি। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার। এমন উৎসাহ ভবিষ্যতে আরও ভালো ও জনকল্যাণমূলক কাজ করতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।”
আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রীপা মনি দেবী জানান, গত ৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের ৮৪ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানার পাশাপাশি তিনিও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “আটোয়ারী উপজেলার খাল খনন প্রকল্পের দুই পাশে সবুজ ঘাস লাগানোর বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বসহকারে উল্লেখ করেছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের খাল খনন প্রকল্পে খালের দুই পাশে সবুজায়নের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, দুই উপজেলায় খাল খনন শেষে মোট ১২ লাখ ৪২ হাজার ৪৪৬ টাকা অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থ সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগকে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।