লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আতিকুজ্জামান সনির উদ্যোগে বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির

আতিকুজ্জামান সনির উদ্যোগে বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির

মোঃ মিলন হোসেন যশোর শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চোখের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে যশোরের বেনাপোলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির। রোটারি ক্লাব অব যশোরের আয়োজনে এবং দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন ও বি.এন.এস চক্ষু হাসপাতাল, খুলনার সহযোগিতায় এ মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শুরু হয় এ চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম। শিবিরে আগত রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী যেসব রোগীর চোখের অপারেশন প্রয়োজন, তাদের অপারেশনের মাধ্যমে লেন্স সংযোজন (IOL) করার ব্যবস্থা করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।

চক্ষু শিবিরে রোটারি ক্লাব অব যশোরের চিকিৎসক ডা. হাসিবুর রহমান ও ডা. সাদিয়া আফরিন উপস্থিত থেকে রোগীদের চোখ পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান, সহ-সভাপতি আবেদার আলী, যুগ্ম সম্পাদক মেহেরুল্লাহ, রোটারি ক্লাবের সদস্য রবিউল ইসলাম রবি, সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি বেনাপোল পৌর যুবদলের সদস্য সচিব রায়হানুজ্জামান দ্বীপু, বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওমর ফারুক সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের অন্যতম উদ্যোক্তা ও সৌজন্যে ছিলেন রোটারিয়ান এ.কে.এম. আতিউজ্জামান সনি, সদস্য, রোটারি ক্লাব অব যশোর। তাঁর উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার এ আয়োজন স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

আয়োজকরা জানান, শিবিরে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের মধ্যে যাদের অপারেশন প্রয়োজন, তাদের পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয়রা বলেন, অর্থের অভাবে অনেক অসহায় মানুষ চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। তাদের জন্য এ ধরনের বিনামূল্যের চিকিৎসা শিবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আতিউজ্জামান সনির উদ্যোগে এমন মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

৮ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, সময়সূচি চূড়ান্ত

আতিকুজ্জামান সনির উদ্যোগে বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

আতিকুজ্জামান সনির উদ্যোগে বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির

মোঃ মিলন হোসেন যশোর শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চোখের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে যশোরের বেনাপোলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির। রোটারি ক্লাব অব যশোরের আয়োজনে এবং দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন ও বি.এন.এস চক্ষু হাসপাতাল, খুলনার সহযোগিতায় এ মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শুরু হয় এ চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম। শিবিরে আগত রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী যেসব রোগীর চোখের অপারেশন প্রয়োজন, তাদের অপারেশনের মাধ্যমে লেন্স সংযোজন (IOL) করার ব্যবস্থা করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।

চক্ষু শিবিরে রোটারি ক্লাব অব যশোরের চিকিৎসক ডা. হাসিবুর রহমান ও ডা. সাদিয়া আফরিন উপস্থিত থেকে রোগীদের চোখ পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান, সহ-সভাপতি আবেদার আলী, যুগ্ম সম্পাদক মেহেরুল্লাহ, রোটারি ক্লাবের সদস্য রবিউল ইসলাম রবি, সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি বেনাপোল পৌর যুবদলের সদস্য সচিব রায়হানুজ্জামান দ্বীপু, বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওমর ফারুক সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের অন্যতম উদ্যোক্তা ও সৌজন্যে ছিলেন রোটারিয়ান এ.কে.এম. আতিউজ্জামান সনি, সদস্য, রোটারি ক্লাব অব যশোর। তাঁর উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার এ আয়োজন স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

আয়োজকরা জানান, শিবিরে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের মধ্যে যাদের অপারেশন প্রয়োজন, তাদের পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয়রা বলেন, অর্থের অভাবে অনেক অসহায় মানুষ চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। তাদের জন্য এ ধরনের বিনামূল্যের চিকিৎসা শিবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আতিউজ্জামান সনির উদ্যোগে এমন মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।