০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মইজ্জু বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক্স (পূর্বে টুইটার) বার্তায় তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মইজ্জু বলেন, “এই শোকের সময়ে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের শক্তি ও ধৈর্য দান করুন।”

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের দীর্ঘস্থায়ী জটিলতায় ভুগছিলেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছিল।

রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া “আপসহীন নেত্রী” উপাধি পেয়েছিলেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান ছিলেন।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া ১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর তিনি রাজনীতিতে আসেন এবং ১৯৮৪ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী; তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি এবং একাধিক নির্বাচনে পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা মির্জা ফারুকের ইন্তেকাল

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:২৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মইজ্জু বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক্স (পূর্বে টুইটার) বার্তায় তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মইজ্জু বলেন, “এই শোকের সময়ে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের শক্তি ও ধৈর্য দান করুন।”

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের দীর্ঘস্থায়ী জটিলতায় ভুগছিলেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছিল।

রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া “আপসহীন নেত্রী” উপাধি পেয়েছিলেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান ছিলেন।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া ১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর তিনি রাজনীতিতে আসেন এবং ১৯৮৪ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী; তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি এবং একাধিক নির্বাচনে পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।