০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :

তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে রাজশাহীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী।
বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জ—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনে গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে জেনারেটর চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফর: ১২ দফা দাবিতে মুখর রাজপথ, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৬ লেন মহাসড়কের দাবি

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :

তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে রাজশাহীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী।
বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জ—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনে গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে জেনারেটর চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।