লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেলাপি ঋণের ঝুঁকি কমাতে ১৮ মাসের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

দেশের ব্যাংকিং খাতে চরম আকার ধারণ করা খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে এবং খাতটিকে স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৮ মাস মেয়াদি একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা কিউআর কোড বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশই খেলাপি, যা আর্থিক খাতের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

গভর্নর জানান, আগের সরকারের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে প্রায় দুই কোটি আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। পরিকল্পনার প্রথম ছয় মাসে বুলেট পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে ঋণগ্রহীতাদের এক্সিটের সুযোগ দেওয়া হবে। পরবর্তী এক বছরে ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট আইন এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন কার্যকর করে খেলাপি ঋণ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গভর্নর আশা প্রকাশ করেন যে, এই দুটি আইন আগামী সংসদ অধিবেশনেই পাস হতে পারে।

এছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন একটি ঋণ প্যাকেজ চালু করা হবে বলে মো. মোস্তাকুর রহমান জানান। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান

খেলাপি ঋণের ঝুঁকি কমাতে ১৮ মাসের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ব্যাংকিং খাতে চরম আকার ধারণ করা খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে এবং খাতটিকে স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৮ মাস মেয়াদি একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা কিউআর কোড বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশই খেলাপি, যা আর্থিক খাতের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

গভর্নর জানান, আগের সরকারের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে প্রায় দুই কোটি আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। পরিকল্পনার প্রথম ছয় মাসে বুলেট পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে ঋণগ্রহীতাদের এক্সিটের সুযোগ দেওয়া হবে। পরবর্তী এক বছরে ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট আইন এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন কার্যকর করে খেলাপি ঋণ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গভর্নর আশা প্রকাশ করেন যে, এই দুটি আইন আগামী সংসদ অধিবেশনেই পাস হতে পারে।

এছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন একটি ঋণ প্যাকেজ চালু করা হবে বলে মো. মোস্তাকুর রহমান জানান। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।