লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে নতুন সূচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি ‘নতুন সূচনা’র প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি মনে করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমতার ভিত্তিতে সংলাপ আয়োজনের মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যকার যাবতীয় মতপার্থক্য ও সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক—সব দিক থেকেই বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। তাই অতীতকে পেছনে ফেলে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় ভারতকে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ কেবল ভৌগোলিক সীমানার অংশীদার নয়, বরং তারা সমৃদ্ধির স্বপ্নেরও অংশীদার। তিনি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে মতভেদ থাকাকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে বলেন, মতভেদের অস্তিত্ব গণতন্ত্রের সৌন্দর্যেরই একটি অংশ।

ত্রিবেদী আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো জটিল সমস্যা নেই যা আলোচনা ও কূটনৈতিক উপায়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও উজ্জ্বল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। সৌজন্যমূলক এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র গরমে রেকর্ড লোডশেডিং, বিদ্যুৎহীন জেলা-উপজেলায় চরম ভোগান্তি

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে নতুন সূচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি ‘নতুন সূচনা’র প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি মনে করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমতার ভিত্তিতে সংলাপ আয়োজনের মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যকার যাবতীয় মতপার্থক্য ও সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক—সব দিক থেকেই বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। তাই অতীতকে পেছনে ফেলে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় ভারতকে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ কেবল ভৌগোলিক সীমানার অংশীদার নয়, বরং তারা সমৃদ্ধির স্বপ্নেরও অংশীদার। তিনি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে মতভেদ থাকাকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে বলেন, মতভেদের অস্তিত্ব গণতন্ত্রের সৌন্দর্যেরই একটি অংশ।

ত্রিবেদী আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো জটিল সমস্যা নেই যা আলোচনা ও কূটনৈতিক উপায়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও উজ্জ্বল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। সৌজন্যমূলক এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।