লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ে ইবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) হাত থেকে সরিয়ে ম্যানেজিং কমিটির কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সরব হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে মানববন্ধনে রূপ নেয়।

মানববন্ধনে ইবি শাখা ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, জমিয়তে তালাবিয়া আরাবিয়া ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘চাচা না চাকরি, চাকরি চাকরি’, ‘মেধা না চাকরি, চাকরি চাকরি’, ‘শিক্ষা না বাণিজ্য, শিক্ষা শিক্ষা’ এবং ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এনটিআরসিএর কেন্দ্রীয় সুপারিশের মাধ্যমে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়ে আসছে। এখন নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়া হলে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়বে। ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে আন্দোলনের মাধ্যমে এই প্রথা বিলুপ্ত করা হয়েছিল। স্থানীয় এমপিদের প্রভাবে নিয়োগের এই পুরনো প্রথা দুর্নীতি ও ঘুষের পথ প্রশস্ত করবে। তিনি এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল রাখার দাবি জানান।

জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান অভিযোগ করেন, মন্ত্রণালয় থেকে রেজুলেশন আকারে নিয়োগের ক্ষমতা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে, যা পরে আবার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের হাতে নিয়োগ বাণিজ্য তুলে দিয়ে শিক্ষার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এসএম সুইট আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে আগামীকাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ে ইবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) হাত থেকে সরিয়ে ম্যানেজিং কমিটির কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সরব হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে মানববন্ধনে রূপ নেয়।

মানববন্ধনে ইবি শাখা ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, জমিয়তে তালাবিয়া আরাবিয়া ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘চাচা না চাকরি, চাকরি চাকরি’, ‘মেধা না চাকরি, চাকরি চাকরি’, ‘শিক্ষা না বাণিজ্য, শিক্ষা শিক্ষা’ এবং ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এনটিআরসিএর কেন্দ্রীয় সুপারিশের মাধ্যমে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়ে আসছে। এখন নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়া হলে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়বে। ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে আন্দোলনের মাধ্যমে এই প্রথা বিলুপ্ত করা হয়েছিল। স্থানীয় এমপিদের প্রভাবে নিয়োগের এই পুরনো প্রথা দুর্নীতি ও ঘুষের পথ প্রশস্ত করবে। তিনি এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল রাখার দাবি জানান।

জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান অভিযোগ করেন, মন্ত্রণালয় থেকে রেজুলেশন আকারে নিয়োগের ক্ষমতা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে, যা পরে আবার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের হাতে নিয়োগ বাণিজ্য তুলে দিয়ে শিক্ষার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এসএম সুইট আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামা হবে।