লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরকে সামনে রেখে ঢাকা একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ.কে.এম শহীদুল করিম রোববার (১৬ আগস্ট) এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন।

মুখপাত্র জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে যোগাযোগ বজায় ছিল। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের পর সেই প্রক্রিয়া কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার ওই কর্মকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

বর্তমান সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করছে বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেন। এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, পারস্পরিক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা।

বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে তাদের অনুরোধের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বাংলাদেশি আসামিদের হস্তান্তরের অনুরোধও জানানো হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা এসব বিষয়ে ভারতের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় গাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আমির হামজার

ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরকে সামনে রেখে ঢাকা একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ.কে.এম শহীদুল করিম রোববার (১৬ আগস্ট) এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন।

মুখপাত্র জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে যোগাযোগ বজায় ছিল। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের পর সেই প্রক্রিয়া কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার ওই কর্মকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

বর্তমান সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করছে বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেন। এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, পারস্পরিক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা।

বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে তাদের অনুরোধের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বাংলাদেশি আসামিদের হস্তান্তরের অনুরোধও জানানো হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা এসব বিষয়ে ভারতের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে।