লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, বাকি দিনটি যেভাবে কাটাবে বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের এক অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষ হতে এখনো একটি পুরো দিন বাকি। খেলা শুরুর আগে যেখানে আলোচনা ছিল বাংলাদেশ কত দিন টিকতে পারবে, সেখানে চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনেই জয় তুলে নিয়েছে লাল-সবুজের দল। প্যাট কামিন্সের শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দল এই চার দিনের একটি সেশনেও আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। ফলে এক দিন হাতে রেখেই ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল। হাতে থাকা এই অতিরিক্ত দিনটিতে বাংলাদেশ দল কী করবে, তা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাকি দিনটির পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হলে নাজমুল হোসেন বলেন, এমন একটি বড় জয়ের পর অবশ্যই উদযাপন করা উচিত। এই ধরনের মুহূর্ত জীবনে খুব কম আসে। তাই পুরো দিনটি খুব ভালোভাবে উদযাপন করার চেষ্টা করবেন তারা।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয়কে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন পেসার হাসান মাহমুদ। তবে নাজমুলের চোখে তাঁর পুরো দলই ম্যাচসেরা। অধিনায়ক ব্যাখ্যা করে বলেন, দলের প্রতিটি খেলোয়াড় কোনো না কোনোভাবে এই জয়ে অবদান রেখেছেন। দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা তানজিদ হাসান তামিমের প্রথম সেঞ্চুরি যেমন বিশেষ ছিল, তেমনি মেহেদী হাসান মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য ছিল অসাধারণ। মিরাজ ব্যাটিংয়ে ৬৫ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এছাড়া প্রথম ইনিংসে সাদমান ইসলামের ২০ রানের ইনিংসটিও দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এই ম্যাচে দলের লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তার আলাদা প্রশংসা করেছেন নাজমুল। প্রথম ইনিংসে মিরাজের সঙ্গে হাসান মাহমুদের ১৭০ বলে ৪৬ রান এবং তাসকিন আহমেদের ৯৬ বলে ৪৬ রানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ওঠে। এই দৃঢ়তায় ভর করেই প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। হাসান, তাসকিন, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেনের মতো লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের এই ব্যাটিং অবদানকে দলের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান মনে করেন অধিনায়ক।

বোলিং ও ফিল্ডিংয়েও ছিল দারুণ দলীয় প্রচেষ্টা। মুমিনুল হকের ৪৯ রান ছাড়াও তাসকিন ও ইবাদত বল হাতে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। পাশাপাশি চতুর্থ দিনের সকালে লিটন দাসের নেওয়া অ্যালেন ক্যারির ক্যাচটিও দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। সব মিলিয়ে সবার সম্মিলিত অবদানেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই অবিস্মরণীয় জয় সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় গাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আমির হামজার

ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, বাকি দিনটি যেভাবে কাটাবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের এক অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষ হতে এখনো একটি পুরো দিন বাকি। খেলা শুরুর আগে যেখানে আলোচনা ছিল বাংলাদেশ কত দিন টিকতে পারবে, সেখানে চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনেই জয় তুলে নিয়েছে লাল-সবুজের দল। প্যাট কামিন্সের শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দল এই চার দিনের একটি সেশনেও আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। ফলে এক দিন হাতে রেখেই ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল। হাতে থাকা এই অতিরিক্ত দিনটিতে বাংলাদেশ দল কী করবে, তা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাকি দিনটির পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হলে নাজমুল হোসেন বলেন, এমন একটি বড় জয়ের পর অবশ্যই উদযাপন করা উচিত। এই ধরনের মুহূর্ত জীবনে খুব কম আসে। তাই পুরো দিনটি খুব ভালোভাবে উদযাপন করার চেষ্টা করবেন তারা।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয়কে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন পেসার হাসান মাহমুদ। তবে নাজমুলের চোখে তাঁর পুরো দলই ম্যাচসেরা। অধিনায়ক ব্যাখ্যা করে বলেন, দলের প্রতিটি খেলোয়াড় কোনো না কোনোভাবে এই জয়ে অবদান রেখেছেন। দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা তানজিদ হাসান তামিমের প্রথম সেঞ্চুরি যেমন বিশেষ ছিল, তেমনি মেহেদী হাসান মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য ছিল অসাধারণ। মিরাজ ব্যাটিংয়ে ৬৫ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এছাড়া প্রথম ইনিংসে সাদমান ইসলামের ২০ রানের ইনিংসটিও দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এই ম্যাচে দলের লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তার আলাদা প্রশংসা করেছেন নাজমুল। প্রথম ইনিংসে মিরাজের সঙ্গে হাসান মাহমুদের ১৭০ বলে ৪৬ রান এবং তাসকিন আহমেদের ৯৬ বলে ৪৬ রানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ওঠে। এই দৃঢ়তায় ভর করেই প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। হাসান, তাসকিন, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেনের মতো লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের এই ব্যাটিং অবদানকে দলের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান মনে করেন অধিনায়ক।

বোলিং ও ফিল্ডিংয়েও ছিল দারুণ দলীয় প্রচেষ্টা। মুমিনুল হকের ৪৯ রান ছাড়াও তাসকিন ও ইবাদত বল হাতে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। পাশাপাশি চতুর্থ দিনের সকালে লিটন দাসের নেওয়া অ্যালেন ক্যারির ক্যাচটিও দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। সব মিলিয়ে সবার সম্মিলিত অবদানেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই অবিস্মরণীয় জয় সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।