লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুলজোড় নদীতে নেই সেতু, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার গ্রামবাসীর

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের তিননান্দিনা এলাকায় ফুলজোড় নদীর ওপর আজও কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত হয়নি। দীর্ঘদিনের এই সমস্যাটি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তিননান্দিনা, আলমপুর, চর ফরিদপুর ও দাতপুরসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ নদী পারাপারের জন্য একমাত্র মাধ্যম হিসেবে খেয়া নৌকার ওপর নির্ভরশীল।

প্রতিদিন এই খেয়া নৌকা ব্যবহার করে নদী পার হতে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সকালে খেয়াঘাটে দীর্ঘ সময় নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেক সময় তাদের বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যায়।

তিননান্দিনা হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক এনামুল হক মাস্টার জানান, বর্ষাকালে নদীতে পানির পরিমাণ ও স্রোত বেড়ে গেলে পারাপার আরও বিপদজনক হয়ে ওঠে। ঝড়-বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই দুই পাড়ের মানুষ যাতায়াত করেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেতু না থাকার ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল রহমান তালুকদার জানান, দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) ২৪০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুর প্রস্তাবনা, যা সিআইবিআর প্রজেক্ট নামে পরিচিত, তা ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সেতুটি অনুমোদিত ও নির্মিত হলে এলাকাটির যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া

ফুলজোড় নদীতে নেই সেতু, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার গ্রামবাসীর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের তিননান্দিনা এলাকায় ফুলজোড় নদীর ওপর আজও কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত হয়নি। দীর্ঘদিনের এই সমস্যাটি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তিননান্দিনা, আলমপুর, চর ফরিদপুর ও দাতপুরসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ নদী পারাপারের জন্য একমাত্র মাধ্যম হিসেবে খেয়া নৌকার ওপর নির্ভরশীল।

প্রতিদিন এই খেয়া নৌকা ব্যবহার করে নদী পার হতে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সকালে খেয়াঘাটে দীর্ঘ সময় নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেক সময় তাদের বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যায়।

তিননান্দিনা হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক এনামুল হক মাস্টার জানান, বর্ষাকালে নদীতে পানির পরিমাণ ও স্রোত বেড়ে গেলে পারাপার আরও বিপদজনক হয়ে ওঠে। ঝড়-বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই দুই পাড়ের মানুষ যাতায়াত করেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেতু না থাকার ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল রহমান তালুকদার জানান, দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) ২৪০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুর প্রস্তাবনা, যা সিআইবিআর প্রজেক্ট নামে পরিচিত, তা ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সেতুটি অনুমোদিত ও নির্মিত হলে এলাকাটির যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।