লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে, অর্থাৎ দুর্ঘটনার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তাদের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। ট্রলার মালিক ও মাঝি বাদল মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সোমবার দুপুরের দিকে ১৩ জন জেলে নিয়ে ট্রলারটি সাগরে ডুবে গিয়েছিল। ঘটনার পরপরই ৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি ৫ জন নিখোঁজ ছিলেন।

উদ্ধার হওয়া মৃত জেলেরা হলেন মো. নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইফুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)। তাদের সবার বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নে। এই পাঁচ জেলের মৃত্যুর খবরে পাথরঘাটার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্রলার মালিক বাদল মোল্লা জানান, গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে একটি ট্রলার উপকূলের দিকে রওনা হয়েছে এবং পাথরঘাটায় পৌঁছাতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা, যিনি জীবিত উদ্ধার হয়েছেন, তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফান চলছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির আগে ক্লান্ত জেলেরা ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন, এমন সময় ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। ৮ জন জেলে প্রায় দুঘণ্টা পানিতে ভেসে থাকার পর অন্য ট্রলারের সহায়তায় প্রাণ বাঁচান।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নিখোঁজদের সন্ধানে সমুদ্রে ট্রলার পাঠানো হয়েছিল। বরগুনা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, সোমবারই উদ্ধার অভিযান শুরু হয় এবং মঙ্গলবার ডুবে যাওয়া ট্রলারটির ভেতরেই জেলেদের নিথর দেহ পাওয়া যায়। বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন জানিয়েছেন, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সহযোগিতায় মরদেহগুলো সাগর থেকে পাথরঘাটায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:২৪:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে, অর্থাৎ দুর্ঘটনার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তাদের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। ট্রলার মালিক ও মাঝি বাদল মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সোমবার দুপুরের দিকে ১৩ জন জেলে নিয়ে ট্রলারটি সাগরে ডুবে গিয়েছিল। ঘটনার পরপরই ৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি ৫ জন নিখোঁজ ছিলেন।

উদ্ধার হওয়া মৃত জেলেরা হলেন মো. নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইফুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)। তাদের সবার বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নে। এই পাঁচ জেলের মৃত্যুর খবরে পাথরঘাটার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্রলার মালিক বাদল মোল্লা জানান, গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে একটি ট্রলার উপকূলের দিকে রওনা হয়েছে এবং পাথরঘাটায় পৌঁছাতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা, যিনি জীবিত উদ্ধার হয়েছেন, তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফান চলছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির আগে ক্লান্ত জেলেরা ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন, এমন সময় ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। ৮ জন জেলে প্রায় দুঘণ্টা পানিতে ভেসে থাকার পর অন্য ট্রলারের সহায়তায় প্রাণ বাঁচান।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নিখোঁজদের সন্ধানে সমুদ্রে ট্রলার পাঠানো হয়েছিল। বরগুনা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, সোমবারই উদ্ধার অভিযান শুরু হয় এবং মঙ্গলবার ডুবে যাওয়া ট্রলারটির ভেতরেই জেলেদের নিথর দেহ পাওয়া যায়। বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন জানিয়েছেন, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সহযোগিতায় মরদেহগুলো সাগর থেকে পাথরঘাটায় নিয়ে আসা হচ্ছে।