লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কড়াইল-সাততলা-ভাসানটেকে আধুনিক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন

রাজধানীর কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দাদের জন্য একটি আধুনিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এই আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, গুলশান এলাকা ও ঢাকা-১৭ নির্বাচনি এলাকার অন্তর্গত এই তিনটি বস্তির বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আবাসন প্রকল্পে বসবাসকারীরা কোনো ভাড়া ছাড়াই থাকতে পারবেন। প্রকল্পের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০ তলা বিশিষ্ট ভবনে ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ বর্গফুট আয়তনের ছোট ছোট আবাসিক ইউনিট তৈরি করা হবে। তবে বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য ইউটিলিটি সেবার খরচ বাসিন্দাদেরকেই বহন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে চীনের কাছে পাঠানো হয়েছে। চীনা পক্ষ পুরো প্রকল্পে একবারে অর্থায়ন সম্ভব না হলে পর্যায়ক্রমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। বর্তমানে বস্তিগুলোতে বসবাসরত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই আধুনিক আবাসনের আওতায় আনা হবে। কাউকে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কঠোর শর্ত ও কড়াকড়ি

কড়াইল-সাততলা-ভাসানটেকে আধুনিক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দাদের জন্য একটি আধুনিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এই আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, গুলশান এলাকা ও ঢাকা-১৭ নির্বাচনি এলাকার অন্তর্গত এই তিনটি বস্তির বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আবাসন প্রকল্পে বসবাসকারীরা কোনো ভাড়া ছাড়াই থাকতে পারবেন। প্রকল্পের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০ তলা বিশিষ্ট ভবনে ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ বর্গফুট আয়তনের ছোট ছোট আবাসিক ইউনিট তৈরি করা হবে। তবে বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য ইউটিলিটি সেবার খরচ বাসিন্দাদেরকেই বহন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে চীনের কাছে পাঠানো হয়েছে। চীনা পক্ষ পুরো প্রকল্পে একবারে অর্থায়ন সম্ভব না হলে পর্যায়ক্রমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। বর্তমানে বস্তিগুলোতে বসবাসরত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই আধুনিক আবাসনের আওতায় আনা হবে। কাউকে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।