লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান

‘এশিয়ার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত মর্যাদাপূর্ণ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের রুনা খান। তিনি বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। সোমবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৬৮তম র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে আয়োজিত সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

রুনা খানের পাশাপাশি এবার আরও দুজন এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন সিঙ্গাপুরের কূটনীতিক, আইনজীবী, অধ্যাপক ও লেখক টমি কোহ এবং মিয়ানমারের মানবাধিকারকর্মী বো চি। র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এবারের বিজয়ীদের এমন সব কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সহায়তা করা।

রুনা খান ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফ্রেন্ডশিপ একটি আন্তর্জাতিক সামাজিক উদ্দেশ্যভিত্তিক সংস্থা (এসপিও)। এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে সবাই মর্যাদা ও আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সমান সুযোগ পাবেন, বিশেষ করে প্রান্তিক ও উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো—এটাই ছিল সংস্থাটির মূল লক্ষ্য। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্রেন্ডশিপ চরম দারিদ্র্য, বৈষম্য, অবিচার এবং পরিবেশগত সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাঁর স্মরণে সে বছরই র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। প্রতিবছর ৩১ আগস্ট, যা ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিন, ম্যানিলা থেকে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবার তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে এই পুরস্কারটি কোনো সুনির্দিষ্ট শ্রেণিতে আবদ্ধ নেই, তবে তার আগে এটি মোট ছয়টি শ্রেণিতে দেওয়া হতো। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি সেবা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা-সাহিত্য-সৃজনশীল যোগাযোগকলা, শান্তি ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং উদীয়মান নেতৃত্ব।

এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সহায়তা করা।.বাংলাদেশি নৌকার প্রেমে এক ফরাসি.২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া হতো মোট ছয় শ্রেণিতে।

২০০০ সাল থেকে উদীয়মান নেতৃত্ব শ্রেণিতে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্যাক্টে সরকারের উদ্যোগকে ইতিবাচক দেখছেন আসিফ মাহমুদ

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

‘এশিয়ার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত মর্যাদাপূর্ণ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের রুনা খান। তিনি বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। সোমবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৬৮তম র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে আয়োজিত সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

রুনা খানের পাশাপাশি এবার আরও দুজন এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন সিঙ্গাপুরের কূটনীতিক, আইনজীবী, অধ্যাপক ও লেখক টমি কোহ এবং মিয়ানমারের মানবাধিকারকর্মী বো চি। র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এবারের বিজয়ীদের এমন সব কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সহায়তা করা।

রুনা খান ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফ্রেন্ডশিপ একটি আন্তর্জাতিক সামাজিক উদ্দেশ্যভিত্তিক সংস্থা (এসপিও)। এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে সবাই মর্যাদা ও আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সমান সুযোগ পাবেন, বিশেষ করে প্রান্তিক ও উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো—এটাই ছিল সংস্থাটির মূল লক্ষ্য। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্রেন্ডশিপ চরম দারিদ্র্য, বৈষম্য, অবিচার এবং পরিবেশগত সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাঁর স্মরণে সে বছরই র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। প্রতিবছর ৩১ আগস্ট, যা ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিন, ম্যানিলা থেকে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবার তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে এই পুরস্কারটি কোনো সুনির্দিষ্ট শ্রেণিতে আবদ্ধ নেই, তবে তার আগে এটি মোট ছয়টি শ্রেণিতে দেওয়া হতো। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি সেবা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা-সাহিত্য-সৃজনশীল যোগাযোগকলা, শান্তি ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং উদীয়মান নেতৃত্ব।

এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সহায়তা করা।.বাংলাদেশি নৌকার প্রেমে এক ফরাসি.২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া হতো মোট ছয় শ্রেণিতে।

২০০০ সাল থেকে উদীয়মান নেতৃত্ব শ্রেণিতে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।