লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেলানী হত্যাকাণ্ড নিয়ে ডাকসুর স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা শহীদ ফেলানী’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা শহীদ ফেলানী’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ২৬। শুক্রবার বিকেলে ডাকসুর সভাকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর জিএস এস. এম. ফরহাদ এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।

অনুষ্ঠানে ডাকসুর জিএস এস. এম. ফরহাদ বলেন, ফেলানীকে হত্যার পর বিচারের নামে নাটক মঞ্চস্থ হলেও প্রকৃত শাস্তি নিশ্চিত হয়নি, উল্টো আত্মরক্ষার গল্প তৈরি করে হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা ফেলানীর বাবা-মায়ের বক্তব্য এবং তরুণ প্রজন্ম ও স্কলারদের অনুভূতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যাতে ফেলানীর ঘটনা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও নীতির বাস্তবতাও সামনে আসে। ফেলানীর হত্যাকারী মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা মাধ্যমে ফেলানীর কথা বারবার বলতে হবে। ডাকসুর এই নথিবদ্ধ করার প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য হলো, হাজার বছর পরেও যেন মানুষ এই স্মৃতি থেকে প্রতিবাদের শক্তি পায় এবং সীমান্ত যেন রক্তপাতের পরিবর্তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে।

স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ফেলানীর স্মৃতিকে স্থায়িত্ব দিতে এবং একটি কালচারাল লড়াইয়ের অংশ হিসেবে এই গ্রন্থ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি জানান, দেশব্যাপী আয়োজিত চিঠি প্রতিযোগিতা থেকে প্রাপ্ত প্রায় দুই শতাধিক চিঠির মধ্য থেকে বাছাইকৃত ১৩টি চিঠি এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্মারক গ্রন্থের সহ-সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম যুবা। গ্রন্থটির সহ-সম্পাদক হিসেবে আরও কাজ করেছেন সাবিকুন্নাহার তামান্না, আফসানা আক্তার, সানজিদা আক্তার শ্রেয়সী, রিয়াদুল ইসলাম যুবা, রিজওয়ান য্যুবরান মানসুরী, সায়মুম ফেরদৌস, আসফাকউল্লাহ আসিফ ও সুহাইল মাহদিন। অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিভিন্ন সম্পাদক, হল সংসদের প্রতিনিধি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরমীর শতবর্ষী তুন্দুল রুটির স্বাদে জমে ওঠে রুটি মহল

ফেলানী হত্যাকাণ্ড নিয়ে ডাকসুর স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা শহীদ ফেলানী’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ২৬। শুক্রবার বিকেলে ডাকসুর সভাকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর জিএস এস. এম. ফরহাদ এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।

অনুষ্ঠানে ডাকসুর জিএস এস. এম. ফরহাদ বলেন, ফেলানীকে হত্যার পর বিচারের নামে নাটক মঞ্চস্থ হলেও প্রকৃত শাস্তি নিশ্চিত হয়নি, উল্টো আত্মরক্ষার গল্প তৈরি করে হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা ফেলানীর বাবা-মায়ের বক্তব্য এবং তরুণ প্রজন্ম ও স্কলারদের অনুভূতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যাতে ফেলানীর ঘটনা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও নীতির বাস্তবতাও সামনে আসে। ফেলানীর হত্যাকারী মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা মাধ্যমে ফেলানীর কথা বারবার বলতে হবে। ডাকসুর এই নথিবদ্ধ করার প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য হলো, হাজার বছর পরেও যেন মানুষ এই স্মৃতি থেকে প্রতিবাদের শক্তি পায় এবং সীমান্ত যেন রক্তপাতের পরিবর্তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে।

স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ফেলানীর স্মৃতিকে স্থায়িত্ব দিতে এবং একটি কালচারাল লড়াইয়ের অংশ হিসেবে এই গ্রন্থ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি জানান, দেশব্যাপী আয়োজিত চিঠি প্রতিযোগিতা থেকে প্রাপ্ত প্রায় দুই শতাধিক চিঠির মধ্য থেকে বাছাইকৃত ১৩টি চিঠি এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্মারক গ্রন্থের সহ-সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম যুবা। গ্রন্থটির সহ-সম্পাদক হিসেবে আরও কাজ করেছেন সাবিকুন্নাহার তামান্না, আফসানা আক্তার, সানজিদা আক্তার শ্রেয়সী, রিয়াদুল ইসলাম যুবা, রিজওয়ান য্যুবরান মানসুরী, সায়মুম ফেরদৌস, আসফাকউল্লাহ আসিফ ও সুহাইল মাহদিন। অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিভিন্ন সম্পাদক, হল সংসদের প্রতিনিধি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।