লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১১ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১১১ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ১ হাজার ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮২২ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৯৬৭ জন।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত প্রায় ছয় মাসে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৬৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবেই হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে ইরান

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১১ জন

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১১১ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ১ হাজার ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮২২ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৯৬৭ জন।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত প্রায় ছয় মাসে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৬৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।