লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০টি আসনে লড়াই, ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরের গতিপথ নির্ধারণে এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যদিও এবার কোনো ব্যালটেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম থাকবে না। প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অঙ্গরাজ্যগুলোর গভর্নর এবং স্থানীয় আইনসভার কয়েক হাজার পদের দায়িত্ব নির্ধারিত হবে। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিলে ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধা তৈরি হবে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়বে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা জয়ী হলে ওয়াশিংটনে দলটির নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।

বর্তমানে ১০০ আসনের সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩-৪৭ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেওয়া দুই স্বতন্ত্র সিনেটরকেও ধরা হয়েছে। ফলে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের নিট চারটি আসন বাড়িয়ে ৫১ আসনে পৌঁছাতে হবে। সিনেটে ৫০-৫০ সমতা হলে রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের ভোটে সিদ্ধান্ত হবে। এছাড়া ৩৫টি সিনেট আসনে নির্বাচন হচ্ছে—এর মধ্যে ৩৩টি আসনের নিয়মিত ছয় বছর মেয়াদি নির্বাচনের অংশ এবং ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে দুটি আসনে বিশেষ নির্বাচন হচ্ছে।

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের প্রতিটি আসনেই দুই বছর পরপর নির্বাচন হয়। এই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক সংখ্যাটি হচ্ছে ২১৮। ওই নির্বাচনে রিপাবলিকানরা ২২০-২১৫ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। তবে এরপর মৃত্যু, পদত্যাগ এবং একজন সদস্যের দলবদলের কারণে বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে ২১৮ জন রিপাবলিকান, ২১৪ জন ডেমোক্র্যাট ও একজন স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন; দুটি আসন শূন্য। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেতে হলে ডেমোক্র্যাটদের ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফলের চেয়ে এবার ৩টি আসন বাড়াতে হবে। রিপাবলিকানদের জন্য এর অর্থ হলো, দুটি আসন হারালেও দলটির পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা সম্ভব, কিন্তু তিনটি আসন হারালে তা সম্ভব হবে না।

এছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন হবে, যা দেশটির মোট অঙ্গরাজ্যের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ। ৬১৩৯টি আসনে এবার অঙ্গরাজ্য আইনসভার নিয়মিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে, যা দেশের ৯৯টি অঙ্গরাজ্যের আইনসভার কক্ষের মধ্যে ৮৮টিতে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫-২৬ সালের নির্বাচনী চক্রে বিজ্ঞাপনে প্রায় ১২ বিলিয়ন (১ হাজার ২০০ কোটি) ডলার ব্যয় হতে পারে। অ্যাড ট্র্যাকিং কোম্পানি অ্যাডইমপ্যাক্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই অর্থ ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিজ্ঞাপনে ব্যয়ের আগের রেকর্ড ৮৯০ কোটি ডলারকেও ছাড়িয়ে যাবে এবং এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়েও বেশি হবে।

জনমত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৩২ শতাংশ, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন। অন্যদিকে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে মারিস্টের জরিপে এই হার ৩৯ শতাংশ এবং এনবিসি নিউজের জরিপে ৪১ শতাংশ। ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর পরিচালিত পিবিএস নিউজ/এনপিআর/মারিস্টের এক জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কংগ্রেস নির্বাচনে তাঁরা কোন দলের প্রার্থীকে সমর্থন করবেন। এ প্রশ্নে রিপাবলিকানদের চেয়ে ১২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন ডেমোক্র্যাটরা (৫৩-৪১%)। একই জরিপে স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে ছিলেন—ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ৫৭ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের পক্ষে ৩২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে পরিচালিত কয়েকটি প্রধান জনমত জরিপে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৩২-৪১% সীমার মধ্যে। এনবিসি নিউজকে ৫৫ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার বলেছেন, ট্রাম্পের নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ক্ষতি করেছে, বিপরীতে ২৬ শতাংশ বলেছেন এসব নীতি অর্থনীতির জন্য উপকারী হয়েছে।

এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রাথমিক নির্বাচনে (প্রাইমারি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৯৭ জন, যা অন্তত ২০১৪ সালের পর যেকোনো নির্বাচনী চক্রে সর্বোচ্চ। তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ২৩২ জনই প্রতিনিধি পরিষদের আসনের জন্য লড়েছেন। ৩ নভেম্বরের ভোটে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৪টি আসনে প্রধান দুই দলের ওই প্রার্থীরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যাঁরা ২০২৪ সালের নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এছাড়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোটের ওপর ট্রাম্পের বিধিনিষেধ সুপ্রিম কোর্ট আটকে দিয়েছে।

এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় বিজ্ঞাপনে যে অর্থ ব্যয় হয়েছিল, এবার তার চেয়েও বেশি হবে বলে আভাস পাওয়া গেছে।.মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোটের ওপর ট্রাম্পের বিধিনিষেধ আটকে দিলেন সুপ্রিম কোর্ট.২৪৯৭: এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রাথমিক নির্বাচনে (প্রাইমারি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীর সংখ্যা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুস্থ হয়ে আরব আমিরাতে দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন নাজমুল শান্ত

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০টি আসনে লড়াই, ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরের গতিপথ নির্ধারণে এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যদিও এবার কোনো ব্যালটেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম থাকবে না। প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অঙ্গরাজ্যগুলোর গভর্নর এবং স্থানীয় আইনসভার কয়েক হাজার পদের দায়িত্ব নির্ধারিত হবে। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিলে ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধা তৈরি হবে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়বে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা জয়ী হলে ওয়াশিংটনে দলটির নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।

বর্তমানে ১০০ আসনের সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩-৪৭ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেওয়া দুই স্বতন্ত্র সিনেটরকেও ধরা হয়েছে। ফলে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের নিট চারটি আসন বাড়িয়ে ৫১ আসনে পৌঁছাতে হবে। সিনেটে ৫০-৫০ সমতা হলে রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের ভোটে সিদ্ধান্ত হবে। এছাড়া ৩৫টি সিনেট আসনে নির্বাচন হচ্ছে—এর মধ্যে ৩৩টি আসনের নিয়মিত ছয় বছর মেয়াদি নির্বাচনের অংশ এবং ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে দুটি আসনে বিশেষ নির্বাচন হচ্ছে।

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের প্রতিটি আসনেই দুই বছর পরপর নির্বাচন হয়। এই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক সংখ্যাটি হচ্ছে ২১৮। ওই নির্বাচনে রিপাবলিকানরা ২২০-২১৫ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। তবে এরপর মৃত্যু, পদত্যাগ এবং একজন সদস্যের দলবদলের কারণে বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে ২১৮ জন রিপাবলিকান, ২১৪ জন ডেমোক্র্যাট ও একজন স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন; দুটি আসন শূন্য। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেতে হলে ডেমোক্র্যাটদের ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলাফলের চেয়ে এবার ৩টি আসন বাড়াতে হবে। রিপাবলিকানদের জন্য এর অর্থ হলো, দুটি আসন হারালেও দলটির পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা সম্ভব, কিন্তু তিনটি আসন হারালে তা সম্ভব হবে না।

এছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন হবে, যা দেশটির মোট অঙ্গরাজ্যের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ। ৬১৩৯টি আসনে এবার অঙ্গরাজ্য আইনসভার নিয়মিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে, যা দেশের ৯৯টি অঙ্গরাজ্যের আইনসভার কক্ষের মধ্যে ৮৮টিতে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫-২৬ সালের নির্বাচনী চক্রে বিজ্ঞাপনে প্রায় ১২ বিলিয়ন (১ হাজার ২০০ কোটি) ডলার ব্যয় হতে পারে। অ্যাড ট্র্যাকিং কোম্পানি অ্যাডইমপ্যাক্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই অর্থ ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিজ্ঞাপনে ব্যয়ের আগের রেকর্ড ৮৯০ কোটি ডলারকেও ছাড়িয়ে যাবে এবং এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়েও বেশি হবে।

জনমত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৩২ শতাংশ, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন। অন্যদিকে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে মারিস্টের জরিপে এই হার ৩৯ শতাংশ এবং এনবিসি নিউজের জরিপে ৪১ শতাংশ। ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর পরিচালিত পিবিএস নিউজ/এনপিআর/মারিস্টের এক জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কংগ্রেস নির্বাচনে তাঁরা কোন দলের প্রার্থীকে সমর্থন করবেন। এ প্রশ্নে রিপাবলিকানদের চেয়ে ১২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন ডেমোক্র্যাটরা (৫৩-৪১%)। একই জরিপে স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে ছিলেন—ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ৫৭ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের পক্ষে ৩২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে পরিচালিত কয়েকটি প্রধান জনমত জরিপে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৩২-৪১% সীমার মধ্যে। এনবিসি নিউজকে ৫৫ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার বলেছেন, ট্রাম্পের নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ক্ষতি করেছে, বিপরীতে ২৬ শতাংশ বলেছেন এসব নীতি অর্থনীতির জন্য উপকারী হয়েছে।

এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রাথমিক নির্বাচনে (প্রাইমারি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৯৭ জন, যা অন্তত ২০১৪ সালের পর যেকোনো নির্বাচনী চক্রে সর্বোচ্চ। তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ২৩২ জনই প্রতিনিধি পরিষদের আসনের জন্য লড়েছেন। ৩ নভেম্বরের ভোটে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৪টি আসনে প্রধান দুই দলের ওই প্রার্থীরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যাঁরা ২০২৪ সালের নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এছাড়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোটের ওপর ট্রাম্পের বিধিনিষেধ সুপ্রিম কোর্ট আটকে দিয়েছে।

এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় বিজ্ঞাপনে যে অর্থ ব্যয় হয়েছিল, এবার তার চেয়েও বেশি হবে বলে আভাস পাওয়া গেছে।.মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোটের ওপর ট্রাম্পের বিধিনিষেধ আটকে দিলেন সুপ্রিম কোর্ট.২৪৯৭: এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রাথমিক নির্বাচনে (প্রাইমারি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীর সংখ্যা।