লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে সেনা পাঠাবে না তুরস্ক, গুরুত্ব প্রতিরক্ষামূলক সহায়তায়

ইয়েমেনের ইরান–সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলা থেকে সৌদি আরবকে রক্ষার বিষয়ে সহায়তার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে তুরস্ক। তবে এই সহায়তার অংশ হিসেবে হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে আঙ্কারা কোনো সেনা পাঠাবে না বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবানের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গত আগস্ট মাসে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। হাকান ফিদান স্পষ্ট করেন যে, এটি কোনো আক্রমণাত্মক চুক্তি নয়, বরং একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। তিনি বলেন, 'এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি। কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তার প্রতিরক্ষায় পাশে দাঁড়াতে হয়। অন্য দেশের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে তুরস্ক সেখানে সেনা পাঠাবে না।'

সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে সামরিক কর্মকর্তারা পর্যালোচনা করছেন। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশল এবং বিভিন্ন কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। হাকান ফিদান জানান, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় ঠিক কী ধরনের সহায়তার প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করবে সামরিক প্রতিনিধিদল। একই সঙ্গে তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথভাবে কী ধরনের অবদান রাখতে পারবে, সেটিও পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তুরস্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সহায়তাগুলো মূলত দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার আওতায় দেওয়া হবে। কারণ, তুরস্কের পার্লামেন্টে এখনো এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়নি। তবে চুক্তিটি পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং সরকার যত দ্রুত সম্ভব এটি জমা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ছিনতাইকারীদের চাপাতির কোপে জখম এসআই শাহ আলম

সৌদি আরবে সেনা পাঠাবে না তুরস্ক, গুরুত্ব প্রতিরক্ষামূলক সহায়তায়

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনের ইরান–সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলা থেকে সৌদি আরবকে রক্ষার বিষয়ে সহায়তার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে তুরস্ক। তবে এই সহায়তার অংশ হিসেবে হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে আঙ্কারা কোনো সেনা পাঠাবে না বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবানের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গত আগস্ট মাসে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। হাকান ফিদান স্পষ্ট করেন যে, এটি কোনো আক্রমণাত্মক চুক্তি নয়, বরং একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। তিনি বলেন, 'এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি। কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তার প্রতিরক্ষায় পাশে দাঁড়াতে হয়। অন্য দেশের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে তুরস্ক সেখানে সেনা পাঠাবে না।'

সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে সামরিক কর্মকর্তারা পর্যালোচনা করছেন। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশল এবং বিভিন্ন কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। হাকান ফিদান জানান, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় ঠিক কী ধরনের সহায়তার প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করবে সামরিক প্রতিনিধিদল। একই সঙ্গে তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথভাবে কী ধরনের অবদান রাখতে পারবে, সেটিও পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তুরস্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সহায়তাগুলো মূলত দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার আওতায় দেওয়া হবে। কারণ, তুরস্কের পার্লামেন্টে এখনো এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়নি। তবে চুক্তিটি পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং সরকার যত দ্রুত সম্ভব এটি জমা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।