লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানামায় ফের ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় আবারও শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার দেশটিতে ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বা ২২ মাইল গভীরে।

এর আগে গত শুক্রবার পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই ভূমিকম্পের ফলে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যেখানে শত শত বাড়িঘর ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পানামার জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত শুক্রবারের ভূমিকম্পে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই ঘটনায় অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৯০০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে দেশটির দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসেব এবং হতাহতের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, দুর্গম এলাকায় অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ শেষ হলে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

পানামায় ফের ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় আবারও শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার দেশটিতে ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বা ২২ মাইল গভীরে।

এর আগে গত শুক্রবার পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই ভূমিকম্পের ফলে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যেখানে শত শত বাড়িঘর ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পানামার জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত শুক্রবারের ভূমিকম্পে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই ঘটনায় অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৯০০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে দেশটির দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসেব এবং হতাহতের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, দুর্গম এলাকায় অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ শেষ হলে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।