লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, আটক সিজেপির নেতারা

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরই সেখানে আকস্মিক বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী যন্তর মন্তরের লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

সামাজিক মাধ্যমে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে বিক্ষোভের দৃশ্য দেখা যায়। এই ঘটনার পর অভিজিৎ দীপকে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আপনারা প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারবেন না।’ কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

এতদিন যন্তর মন্তর নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল, কিন্তু সরকারি সিদ্ধান্তের পর এখন থেকে সেখানে আর কোনো বিক্ষোভ বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করা যাবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এখন থেকে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ডকে বিক্ষোভের জন্য নতুন স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর থেকেই যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করে দিল্লি পুলিশ। ওই দিন সিজেপি বিক্ষোভের ডাক দিলে দলের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই আটক করা হয়েছিল। এছাড়া গত শনি ও রোববার দিল্লির বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ ও পুলিশের অভিযান ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরই সেখানে বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে ঢোক

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, আটক সিজেপির নেতারা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরই সেখানে আকস্মিক বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী যন্তর মন্তরের লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

সামাজিক মাধ্যমে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে বিক্ষোভের দৃশ্য দেখা যায়। এই ঘটনার পর অভিজিৎ দীপকে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আপনারা প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারবেন না।’ কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

এতদিন যন্তর মন্তর নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল, কিন্তু সরকারি সিদ্ধান্তের পর এখন থেকে সেখানে আর কোনো বিক্ষোভ বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করা যাবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এখন থেকে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ডকে বিক্ষোভের জন্য নতুন স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর থেকেই যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করে দিল্লি পুলিশ। ওই দিন সিজেপি বিক্ষোভের ডাক দিলে দলের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই আটক করা হয়েছিল। এছাড়া গত শনি ও রোববার দিল্লির বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ ও পুলিশের অভিযান ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরই সেখানে বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে ঢোক