লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঠোর নিরাপত্তায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৮ মাসের মাথায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া উপজেলার কেন্দ্রগুলোতে একযোগে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান চলছে। কোনো বিরতি ছাড়াই এই ভোটগ্রহণ বিকেল ৪টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছিল। এই উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট পাঁচটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে পুরো নির্বাচনি এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রে যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের শঙ্কা ও আতঙ্ক দূর করে ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৫ হাজার সদস্য।

এবারের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসার কামরুল ইসলাম জানান, ভোটারদের মনে কিছুটা সংশয় থাকলেও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমনে প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আল্লাহর সুন্দর নামগুলোর জ্ঞানার্জন ও তাৎপর্য অনুধাবন করা জরুরি

কঠোর নিরাপত্তায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৮ মাসের মাথায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া উপজেলার কেন্দ্রগুলোতে একযোগে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান চলছে। কোনো বিরতি ছাড়াই এই ভোটগ্রহণ বিকেল ৪টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছিল। এই উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট পাঁচটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে পুরো নির্বাচনি এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রে যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের শঙ্কা ও আতঙ্ক দূর করে ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৫ হাজার সদস্য।

এবারের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসার কামরুল ইসলাম জানান, ভোটারদের মনে কিছুটা সংশয় থাকলেও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমনে প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।