লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, স্পিলওয়ে গেট খোলার প্রস্তুতি

রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পাহাড় ধসের ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে। এরই মধ্যে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পানি ছাড়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ১৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত লেকের পানির উচ্চতা ১০৩ দশমিক ৯১ ফুট এমএসএলে পৌঁছেছে।

উজানের ভারী বৃষ্টির কারণে পানির চাপ আরও বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় শনিবার সকাল ১১টার পর যেকোনো সময় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে অবমুক্ত করা হতে পারে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় গেট আরও খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পাঁচটি ইউনিট সচল রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পানির উচ্চতা বাড়ার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে পাঁচটি ইউনিটই চালু থাকায় ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এদিকে সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে সড়ক, কৃষিজমি ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় কাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, স্পিলওয়ে গেট খোলার প্রস্তুতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পাহাড় ধসের ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে। এরই মধ্যে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পানি ছাড়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ১৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত লেকের পানির উচ্চতা ১০৩ দশমিক ৯১ ফুট এমএসএলে পৌঁছেছে।

উজানের ভারী বৃষ্টির কারণে পানির চাপ আরও বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় শনিবার সকাল ১১টার পর যেকোনো সময় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে অবমুক্ত করা হতে পারে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় গেট আরও খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পাঁচটি ইউনিট সচল রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পানির উচ্চতা বাড়ার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে পাঁচটি ইউনিটই চালু থাকায় ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এদিকে সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে সড়ক, কৃষিজমি ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় কাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।