লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু

গাজা শহরে একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে শিশুসহ আরও বহু মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং উদ্ধারকর্মীরা তাদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ভবনটি প্রায় ১০০ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারের আবাসস্থল ছিল।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের একটি উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ২৫ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় তাদের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিলেন।

বহুতল ভবনটির প্রতিটি তলায় চারটি করে ফ্ল্যাট ছিল। ইসরায়েলি হামলায় ভবনটির কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ায় এটি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটি ধসে পড়ার সময় তা পাশের সেই তাঁবুগুলোর ওপর গিয়ে পড়ে, যেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল।

এই ধসের ঘটনাটি গাজা জুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত আনুমানিক দুই হাজার ভবনে বসবাসকারী হাজার হাজার ফিলিস্তিনির মুখোমুখি থাকা অব্যাহত বিপদকে তুলে ধরে।

দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারে নিয়োজিত সিভিল ডিফেন্স দলের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আবু দান জানিয়েছেন, ভবনটিতে ১০টিরও বেশি পরিবার বসবাস করছিল এবং অন্য কোনো আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষ সেখানে থাকতে বাধ্য হয়েছিল।

আবু দান বলেন, “প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সম্পদের অভাবে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।”

ফিলিস্তিনি ও জাতিসংঘের কর্মকর্তারা গাজায় ভারী যন্ত্রপাতির অভাবের জন্য ইসরায়েলের আরোপ করা বিধিনিষেধকে দায়ী করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ৮ জেলায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজা শহরে একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে শিশুসহ আরও বহু মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং উদ্ধারকর্মীরা তাদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ভবনটি প্রায় ১০০ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারের আবাসস্থল ছিল।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের একটি উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ২৫ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় তাদের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিলেন।

বহুতল ভবনটির প্রতিটি তলায় চারটি করে ফ্ল্যাট ছিল। ইসরায়েলি হামলায় ভবনটির কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ায় এটি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটি ধসে পড়ার সময় তা পাশের সেই তাঁবুগুলোর ওপর গিয়ে পড়ে, যেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল।

এই ধসের ঘটনাটি গাজা জুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত আনুমানিক দুই হাজার ভবনে বসবাসকারী হাজার হাজার ফিলিস্তিনির মুখোমুখি থাকা অব্যাহত বিপদকে তুলে ধরে।

দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারে নিয়োজিত সিভিল ডিফেন্স দলের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আবু দান জানিয়েছেন, ভবনটিতে ১০টিরও বেশি পরিবার বসবাস করছিল এবং অন্য কোনো আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষ সেখানে থাকতে বাধ্য হয়েছিল।

আবু দান বলেন, “প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সম্পদের অভাবে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।”

ফিলিস্তিনি ও জাতিসংঘের কর্মকর্তারা গাজায় ভারী যন্ত্রপাতির অভাবের জন্য ইসরায়েলের আরোপ করা বিধিনিষেধকে দায়ী করেছেন।