লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কয়েকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

রোববার (২ আগস্ট) প্রকাশিত বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী তিন দিনে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে উঠতে পারে। এর প্রভাবে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া ধরলা নদীর পানিও কিছু এলাকায় সতর্কসীমা স্পর্শ করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোকে সাময়িকভাবে প্লাবিত করতে পারে।

একই সময়ে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সিলেট ও সুনামগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী-ভুগাই-কংস অববাহিকার শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার কিছু নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক প্লাবনের ঝুঁকি রয়েছে। বর্তমানে কেবল কুশিয়ারা নদীর সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে কেন্দ্রটি জানিয়েছে।

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, আগামী দুই দিন সিলেট ও রংপুর বিভাগ এবং উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তৃতীয় দিনেও রংপুর বিভাগ ও উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই প্রবণতা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের কয়েকটি স্থানে নদীর পানি সতর্কসীমা ছুঁতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। তবে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন সিলেটের বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার নতুন প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কয়েকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

রোববার (২ আগস্ট) প্রকাশিত বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী তিন দিনে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে উঠতে পারে। এর প্রভাবে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া ধরলা নদীর পানিও কিছু এলাকায় সতর্কসীমা স্পর্শ করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোকে সাময়িকভাবে প্লাবিত করতে পারে।

একই সময়ে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সিলেট ও সুনামগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী-ভুগাই-কংস অববাহিকার শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার কিছু নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক প্লাবনের ঝুঁকি রয়েছে। বর্তমানে কেবল কুশিয়ারা নদীর সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে কেন্দ্রটি জানিয়েছে।

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, আগামী দুই দিন সিলেট ও রংপুর বিভাগ এবং উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তৃতীয় দিনেও রংপুর বিভাগ ও উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই প্রবণতা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের কয়েকটি স্থানে নদীর পানি সতর্কসীমা ছুঁতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। তবে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন সিলেটের বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।