লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাসানচর থেকে পালানোর চেষ্টাকালে ৯ রোহিঙ্গা আটক

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে অবৈধভাবে স্পিডবোটে করে পালানোর চেষ্টাকালে তিন পরিবারের মোট ৯ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং পুলিশের একটি যৌথ দল। রবিবার (২ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ভাসানচরের ১১২ নম্বর ডিউটি পোস্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন বিকেলে ১১২ নম্বর ডিউটি পোস্টের কাছাকাছি সাগরে একটি স্পিডবোটে রোহিঙ্গাদের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে তারা তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মালামালসহ তিন পরিবারের ওই ৯ রোহিঙ্গাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এই যৌথ অভিযানে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ব্যাটালিয়ন সদস্য সিপাহি মো. আবদুর রহমান এবং পুলিশের নায়েক মো. আজমুল ও কনস্টেবল মো. আবু বকর সরাসরি নেতৃত্ব দেন। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে পুনরায় ভাসানচরের নির্ধারিত আবাসন এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন সমন্বিত ও তৎপর ভূমিকার কারণেই রোহিঙ্গাদের পালিয়ে যাওয়ার এই প্রচেষ্টাটি নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনে জড়িত ৩৫ শতাংশ পুলিশ কর্মকর্তা এখনো স্বপদে বহাল

ভাসানচর থেকে পালানোর চেষ্টাকালে ৯ রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে অবৈধভাবে স্পিডবোটে করে পালানোর চেষ্টাকালে তিন পরিবারের মোট ৯ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং পুলিশের একটি যৌথ দল। রবিবার (২ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ভাসানচরের ১১২ নম্বর ডিউটি পোস্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন বিকেলে ১১২ নম্বর ডিউটি পোস্টের কাছাকাছি সাগরে একটি স্পিডবোটে রোহিঙ্গাদের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে তারা তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মালামালসহ তিন পরিবারের ওই ৯ রোহিঙ্গাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এই যৌথ অভিযানে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ব্যাটালিয়ন সদস্য সিপাহি মো. আবদুর রহমান এবং পুলিশের নায়েক মো. আজমুল ও কনস্টেবল মো. আবু বকর সরাসরি নেতৃত্ব দেন। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে পুনরায় ভাসানচরের নির্ধারিত আবাসন এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন সমন্বিত ও তৎপর ভূমিকার কারণেই রোহিঙ্গাদের পালিয়ে যাওয়ার এই প্রচেষ্টাটি নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।