লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে অচলাবস্থা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধ বন্ধের একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে, যার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো হামাসের অস্ত্র সমর্পণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার। তবে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে, যার মূলে রয়েছে কে আগে পদক্ষেপ নেবে সেই প্রশ্ন।

হামাস জানিয়েছে, তারা নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে প্রস্তুত থাকলেও তাদের পূর্বশর্ত হলো, আগে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহার করতে হবে। এরপরই কেবল অস্ত্র সমর্পণের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হতে পারে। অন্যদিকে, ইসরাইল এই অবস্থান সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হামাসকে আগে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হতে হবে। তাদের মতে, ‘নিরস্ত্রীকরণ’ বলতে অস্ত্র পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়াকেই বোঝায় এবং এর চেয়ে কম কিছু তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনী সরে যাওয়ার পর ওই অঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার কথা একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে ট্রাম্পের পরিকল্পনার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি এখন দুই পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে আটকে আছে।

ইসরাইল তাদের সিদ্ধান্তে অটল যে, হামাস সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তারা গাজা ছাড়বে না। বিপরীতে হামাস দাবি করছে, আগে ইসরাইলি সেনাদের সরে যেতে হবে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। নিরস্ত্রীকরণ এবং সেনা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ দুটি কীভাবে সমন্বয় করা হবে বা কোনটি আগে কার্যকর হবে, সেটিই এখন চূড়ান্ত সমঝোতার মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেউতায় অভিবাসী সংকট: চার দিনে মরক্কোয় ফিরল ৬৯,৫০০ জন

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে অচলাবস্থা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধ বন্ধের একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে, যার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো হামাসের অস্ত্র সমর্পণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার। তবে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে, যার মূলে রয়েছে কে আগে পদক্ষেপ নেবে সেই প্রশ্ন।

হামাস জানিয়েছে, তারা নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে প্রস্তুত থাকলেও তাদের পূর্বশর্ত হলো, আগে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহার করতে হবে। এরপরই কেবল অস্ত্র সমর্পণের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হতে পারে। অন্যদিকে, ইসরাইল এই অবস্থান সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হামাসকে আগে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হতে হবে। তাদের মতে, ‘নিরস্ত্রীকরণ’ বলতে অস্ত্র পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়াকেই বোঝায় এবং এর চেয়ে কম কিছু তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনী সরে যাওয়ার পর ওই অঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার কথা একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে ট্রাম্পের পরিকল্পনার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি এখন দুই পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে আটকে আছে।

ইসরাইল তাদের সিদ্ধান্তে অটল যে, হামাস সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তারা গাজা ছাড়বে না। বিপরীতে হামাস দাবি করছে, আগে ইসরাইলি সেনাদের সরে যেতে হবে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। নিরস্ত্রীকরণ এবং সেনা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ দুটি কীভাবে সমন্বয় করা হবে বা কোনটি আগে কার্যকর হবে, সেটিই এখন চূড়ান্ত সমঝোতার মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।