লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০০ বৈদ্যুতিক বাস কিনতে ৪০০ কোটি টাকা চেয়েছে বিআরটিসি

পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। এই প্রকল্পের আওতায় বাস কেনার পাশাপাশি ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব অজিত দেব এই প্রস্তাবের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা হিসেবে বিআরটিসি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মহানগর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা দিয়ে আসছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আধুনিক ও সবুজ পরিবহন করিডোর গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআরটিসির প্রত্যাশা, ইলেকট্রিক বাস চালু হলে জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয় হবে, বায়ুদূষণ কমবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয়ও হ্রাস পাবে। এসব বাস ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রুটের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোর আন্তঃনগর রুটে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে একই উদ্দেশ্যে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান চাওয়া হলেও অর্থ বিভাগ তখন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছিল। তবে বিআরটিসি জানিয়েছে, বর্তমান আর্থিক সক্ষমতায় নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এছাড়া ঋণ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে প্রতিষ্ঠানের ওপর বাড়তি ঋণ ও সুদের বোঝা বাড়বে। তাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা ইক্যুইটি বা অনুদান হিসেবে বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত ৪০০ কোটি টাকার ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস কিনতে ২৫০ কোটি টাকা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন নির্মাণে ৫০ কোটি টাকা এবং আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ার পার্টসের জন্য ৩৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার জন্য ২০ কোটি, পরিবহন ও নিবন্ধনসহ অন্যান্য খাতে ২৫ কোটি এবং ডিপো ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা উন্নয়ন ও মেরামতে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিআরটিসির মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং যাত্রীদের জন্য আধুনিক ও টেকসই পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজধানীমুখী মিছিল

১০০ বৈদ্যুতিক বাস কিনতে ৪০০ কোটি টাকা চেয়েছে বিআরটিসি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। এই প্রকল্পের আওতায় বাস কেনার পাশাপাশি ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব অজিত দেব এই প্রস্তাবের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা হিসেবে বিআরটিসি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মহানগর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা দিয়ে আসছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আধুনিক ও সবুজ পরিবহন করিডোর গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআরটিসির প্রত্যাশা, ইলেকট্রিক বাস চালু হলে জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয় হবে, বায়ুদূষণ কমবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয়ও হ্রাস পাবে। এসব বাস ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রুটের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোর আন্তঃনগর রুটে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে একই উদ্দেশ্যে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান চাওয়া হলেও অর্থ বিভাগ তখন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছিল। তবে বিআরটিসি জানিয়েছে, বর্তমান আর্থিক সক্ষমতায় নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এছাড়া ঋণ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে প্রতিষ্ঠানের ওপর বাড়তি ঋণ ও সুদের বোঝা বাড়বে। তাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা ইক্যুইটি বা অনুদান হিসেবে বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত ৪০০ কোটি টাকার ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস কিনতে ২৫০ কোটি টাকা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন নির্মাণে ৫০ কোটি টাকা এবং আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ার পার্টসের জন্য ৩৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার জন্য ২০ কোটি, পরিবহন ও নিবন্ধনসহ অন্যান্য খাতে ২৫ কোটি এবং ডিপো ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা উন্নয়ন ও মেরামতে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিআরটিসির মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং যাত্রীদের জন্য আধুনিক ও টেকসই পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।