লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে পাহাড় ধস ও বন্যায় ১৩ জনের মৃত্যু

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড় ধসের ঘটনায় চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে, পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। এতে প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে জেলার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

দুর্গত মানুষের সহায়তায় জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে, যেখানে ২১ হাজার ৯০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৮৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত ৩৯ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার ১০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার দুর্গতদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তহবিলে বর্তমানে আরও ৪৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ২৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরাতে সম্মত মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম

চট্টগ্রামে পাহাড় ধস ও বন্যায় ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড় ধসের ঘটনায় চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে, পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। এতে প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে জেলার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

দুর্গত মানুষের সহায়তায় জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে, যেখানে ২১ হাজার ৯০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৮৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত ৩৯ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার ১০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার দুর্গতদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তহবিলে বর্তমানে আরও ৪৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ২৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।