লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে ১৭ মেট্রো স্টেশন বন্ধ, তীব্র যানজটে নাকাল যাত্রীরা

যন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে রাজধানী দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকায় অফিসগামীসহ সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের বাস, অটোরিকশা ও ক্যাবের মতো বিকল্প গণপরিবহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেট্রো স্টেশন বন্ধের ফলে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আইটিও টানেলের কাছে সড়কের একটি অংশ ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন যে, অফিস ও বাসায় ফিরতে তাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে, যা তাদের সময় ও যাতায়াত ব্যয় উভয়ই বাড়িয়ে দিয়েছে। এক যাত্রী জানান, সাধারণত নয়ডা থেকে বিকাশ মার্গ হয়ে মান্ডি হাউসে যেতে ৪৫ মিনিট সময় লাগলেও, আজকের যানজটে তার দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ব্যয় হয়েছে।

বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর তালিকায় রয়েছে- লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোরবাগ, শিবাজি স্টেডিয়াম ও ঝান্ডেওয়ালান। এছাড়া সংসদ মার্গ, টলস্টয় মার্গ, কনট প্লেসের আউটার সার্কেল, প্যাটেল চক, ইন্ডিয়া গেট সার্কেল, ডিডিইউ মার্গ ও মিন্টো রোডেও যানবাহনের ধীরগতি দেখা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভুক্তভোগী যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নয়ডা-দিল্লি মহাসড়কের প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে যানজটের কথা উল্লেখ করে একজন যাত্রী লিখেছেন, আইটিও টানেলের কাছে ব্যারিকেড দেয়ার আগে ট্রাফিক পুলিশের উচিত ছিল জনসচেতনতামূলক বার্তা দেয়া। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ বিভিন্ন সড়কে বিকল্প রুটে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করলেও সন্ধ্যায় অফিস ছুটির পর পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করে। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই স্টেশনগুলো বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে এবং প্রয়োজন ছাড়া নয়াদিল্লি এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এক যাত্রী জানান, স্টেশন বন্ধ থাকায় তার প্রায় ৪০ মিনিটের যাত্রায় আরও অন্তত ৪৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় লেগেছে।মেট্রো বন্ধ থাকায় বাসগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় দেখা গেছে। পাশাপাশি গণপরিবহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। অটোরিকশা ও ক্যাবের চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এদিন।অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, অফিস ও বাসায় ফিরতে ত

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

দিল্লিতে ১৭ মেট্রো স্টেশন বন্ধ, তীব্র যানজটে নাকাল যাত্রীরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

যন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে রাজধানী দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকায় অফিসগামীসহ সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের বাস, অটোরিকশা ও ক্যাবের মতো বিকল্প গণপরিবহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেট্রো স্টেশন বন্ধের ফলে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আইটিও টানেলের কাছে সড়কের একটি অংশ ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন যে, অফিস ও বাসায় ফিরতে তাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে, যা তাদের সময় ও যাতায়াত ব্যয় উভয়ই বাড়িয়ে দিয়েছে। এক যাত্রী জানান, সাধারণত নয়ডা থেকে বিকাশ মার্গ হয়ে মান্ডি হাউসে যেতে ৪৫ মিনিট সময় লাগলেও, আজকের যানজটে তার দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ব্যয় হয়েছে।

বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর তালিকায় রয়েছে- লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোরবাগ, শিবাজি স্টেডিয়াম ও ঝান্ডেওয়ালান। এছাড়া সংসদ মার্গ, টলস্টয় মার্গ, কনট প্লেসের আউটার সার্কেল, প্যাটেল চক, ইন্ডিয়া গেট সার্কেল, ডিডিইউ মার্গ ও মিন্টো রোডেও যানবাহনের ধীরগতি দেখা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভুক্তভোগী যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নয়ডা-দিল্লি মহাসড়কের প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে যানজটের কথা উল্লেখ করে একজন যাত্রী লিখেছেন, আইটিও টানেলের কাছে ব্যারিকেড দেয়ার আগে ট্রাফিক পুলিশের উচিত ছিল জনসচেতনতামূলক বার্তা দেয়া। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ বিভিন্ন সড়কে বিকল্প রুটে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করলেও সন্ধ্যায় অফিস ছুটির পর পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করে। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই স্টেশনগুলো বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে এবং প্রয়োজন ছাড়া নয়াদিল্লি এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এক যাত্রী জানান, স্টেশন বন্ধ থাকায় তার প্রায় ৪০ মিনিটের যাত্রায় আরও অন্তত ৪৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় লেগেছে।মেট্রো বন্ধ থাকায় বাসগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় দেখা গেছে। পাশাপাশি গণপরিবহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। অটোরিকশা ও ক্যাবের চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এদিন।অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, অফিস ও বাসায় ফিরতে ত