লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপূজায় ছুটি এক দিন বাড়ল, অনুদানও বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে অনুদান বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে চার কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল, তবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য দুই কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল, সেখানেও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিবছর শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়, এবার সেই বরাদ্দের পরিমাণ এক কোটি টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ২৫ সেপ্টেম্বর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্যও চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অনুদান বৃদ্ধির পাশাপাশি এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। এ বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দিন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস-আদালত খোলা থাকার কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার ওই দিনটিও ছুটি ঘোষণা করেছেন। এর ফলে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি ভোগ করবেন।

সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ সেবা চালু থাকতে পারে। এছাড়া এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত সচল থাকে। তবে হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। গণমাধ্যমসহ প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠানেও কর্মীদের দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।

দুর্গাপূজা ঘিরে টানা পাঁচ দিন ছুটি থাকায় হিন্দুধর্মাবলম্বীদের উৎসব উদ্‌যাপনের সুযোগ বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিক প্রয়াসকে একটি ভিন্ন দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এক দিন ছুটি বাড়িয়েছেন, কিন্তু আমরা ছুটি পাচ্ছি পাঁচ দিন। এতে উৎসবটা পরিপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক হবে। প্রস্তাবের চেয়ে বেশি অনুদান দেওয়ায় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সব সম্প্রদায়ের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে, যা খুবই ইতিবাচক।

জনপ্রিয় সংবাদ

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৮৪৭ কোটি টাকা

দুর্গাপূজায় ছুটি এক দিন বাড়ল, অনুদানও বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে অনুদান বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে চার কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল, তবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য দুই কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল, সেখানেও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিবছর শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়, এবার সেই বরাদ্দের পরিমাণ এক কোটি টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ২৫ সেপ্টেম্বর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্যও চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অনুদান বৃদ্ধির পাশাপাশি এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। এ বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দিন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস-আদালত খোলা থাকার কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার ওই দিনটিও ছুটি ঘোষণা করেছেন। এর ফলে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি ভোগ করবেন।

সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ সেবা চালু থাকতে পারে। এছাড়া এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত সচল থাকে। তবে হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। গণমাধ্যমসহ প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠানেও কর্মীদের দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।

দুর্গাপূজা ঘিরে টানা পাঁচ দিন ছুটি থাকায় হিন্দুধর্মাবলম্বীদের উৎসব উদ্‌যাপনের সুযোগ বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিক প্রয়াসকে একটি ভিন্ন দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এক দিন ছুটি বাড়িয়েছেন, কিন্তু আমরা ছুটি পাচ্ছি পাঁচ দিন। এতে উৎসবটা পরিপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক হবে। প্রস্তাবের চেয়ে বেশি অনুদান দেওয়ায় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সব সম্প্রদায়ের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে, যা খুবই ইতিবাচক।