লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

সরকারবিরোধী চক্রান্ত, সহিংস উসকানি, অবৈধ অর্থায়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে পল্লবী থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম। আসামিরা হলেন লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩) ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ (৪৭)।

সোমবার (১২ অক্টোবর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ বশির আহমেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন, অন্যদিকে আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মুনসুর রিপন রিমান্ড নামঞ্জুর ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন।

তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা পল্লবী থানাধীন একটি বাসায় অবস্থান করে ‘Bangladesh Awami League Supporters Alpha # 1’ এবং ‘BBM Transparency’ নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী ও সহিংস উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করছিলেন। এছাড়া ‘Unity Care’ ও ‘Public Parliament’ নামক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য পলাতক নেতাদের যোগসাজশে তারা আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। ‘কালআজকাল.কম’ নামে একটি ফেসবুক পেজ ব্যবহারের মাধ্যমেও তারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৮ সালে আসামিরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠন করেছিলেন এবং ১০১ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করেছিলেন। পুলিশ তাদের সাথে দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগের তথ্য পেয়েছে বলেও দাবি করেছে। তদন্তের প্রয়োজনে সহযোগী আসামিদের শনাক্তকরণ, অবৈধ অর্থায়নের উৎস সন্ধান এবং রাষ্ট্রবিরোধী ডিজিটাল আলামত উদ্ধারের জন্য তাদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে পল্লবী ও বনানী থানাধীন ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের পরিদর্শক আলী আকবর। এরপর তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এদিন বিকাল ৫টার দিকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় তাদের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানিকালে বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় এজলাসে নেওয়া হয় তাদের। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড চাওয়ার কারণ আদালতকে অবহিত করেন। আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মুনসুর রিপন রিমান্ড নামঞ্জুর

২. রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত দেশি ও বিদেশি চক্রান্তকারীদের শনাক্ত করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা-মদিনার ওপর হুমকি এলে বাংলাদেশ বসে থাকবে না: শামা ওবায়েদ

সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সরকারবিরোধী চক্রান্ত, সহিংস উসকানি, অবৈধ অর্থায়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে পল্লবী থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম। আসামিরা হলেন লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩) ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ (৪৭)।

সোমবার (১২ অক্টোবর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ বশির আহমেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন, অন্যদিকে আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মুনসুর রিপন রিমান্ড নামঞ্জুর ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন।

তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা পল্লবী থানাধীন একটি বাসায় অবস্থান করে ‘Bangladesh Awami League Supporters Alpha # 1’ এবং ‘BBM Transparency’ নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী ও সহিংস উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করছিলেন। এছাড়া ‘Unity Care’ ও ‘Public Parliament’ নামক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য পলাতক নেতাদের যোগসাজশে তারা আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। ‘কালআজকাল.কম’ নামে একটি ফেসবুক পেজ ব্যবহারের মাধ্যমেও তারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৮ সালে আসামিরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠন করেছিলেন এবং ১০১ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করেছিলেন। পুলিশ তাদের সাথে দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগের তথ্য পেয়েছে বলেও দাবি করেছে। তদন্তের প্রয়োজনে সহযোগী আসামিদের শনাক্তকরণ, অবৈধ অর্থায়নের উৎস সন্ধান এবং রাষ্ট্রবিরোধী ডিজিটাল আলামত উদ্ধারের জন্য তাদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে পল্লবী ও বনানী থানাধীন ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের পরিদর্শক আলী আকবর। এরপর তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এদিন বিকাল ৫টার দিকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় তাদের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানিকালে বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় এজলাসে নেওয়া হয় তাদের। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড চাওয়ার কারণ আদালতকে অবহিত করেন। আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মুনসুর রিপন রিমান্ড নামঞ্জুর

২. রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত দেশি ও বিদেশি চক্রান্তকারীদের শনাক্ত করা।