লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গভবন ছেড়ে গুলশানের বাসায় ফিরলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন

দেশের ২২তম প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগের একদিন পরই বঙ্গভবন ছেড়েছেন। গতকাল দুপুরে সপরিবারে তিনি বঙ্গভবন ত্যাগ করে গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের নিজ বাসভবনে গিয়ে ওঠেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিকাল ৩টার দিকে তার গাড়িবহর গুলশানের বাসভবনে পৌঁছায়। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেও তিনি এই বাড়ির পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

সকাল থেকেই বঙ্গভবনের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গিয়েছিল। একইভাবে গুলশানে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের বাসভবনের সামনেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, এপিবিএন, সেনাবাহিনী এবং এসএসএফ সদস্যদের সেখানে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। এদিকে, বঙ্গভবন ছাড়ার আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিদায়ী প্রেসিডেন্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করেন, যেখানে কর্মীরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান।

আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব ছাড়ার পর সাবেক প্রেসিডেন্ট চাইলে আরও এক মাস বঙ্গভবনে অবস্থান করতে পারতেন। তবে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর দ্রুতই বঙ্গভবন ছাড়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন এবং নিজের ব্যক্তিগত মালপত্র গুলশানের বাসভবনে স্থানান্তর করেন। ইতিমধ্যে ওই বাসভবনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজও শেষ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বঙ্গভবন ছাড়ার পর সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি বঙ্গভবনে না থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সরকারি বাসভবনেই অবস্থান করবেন।

পদত্যাগের পরও নিয়ম অনুযায়ী সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ছয় মাস রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সুবিধা পাবেন। ২০১৬ সালের ‘প্রেসিডেন্টের অবসর ভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী, তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সর্বশেষ প্রাপ্ত বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসর ভাতা পাবেন। এছাড়া তিনি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট, সরকারি নির্ধারিত দাপ্তরিক ব্যয়, সরকারি অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার, বাসভবনে টেলিফোন সংযোগ, মন্ত্রীর সমপর্যায়ের চিকিৎসা সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং দেশের ভেতরে সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজে বিনা ভাড়ায় থাকার সুবিধা পাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপি বহরে হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ ১১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বঙ্গভবন ছেড়ে গুলশানের বাসায় ফিরলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

দেশের ২২তম প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগের একদিন পরই বঙ্গভবন ছেড়েছেন। গতকাল দুপুরে সপরিবারে তিনি বঙ্গভবন ত্যাগ করে গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের নিজ বাসভবনে গিয়ে ওঠেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিকাল ৩টার দিকে তার গাড়িবহর গুলশানের বাসভবনে পৌঁছায়। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেও তিনি এই বাড়ির পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

সকাল থেকেই বঙ্গভবনের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গিয়েছিল। একইভাবে গুলশানে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের বাসভবনের সামনেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, এপিবিএন, সেনাবাহিনী এবং এসএসএফ সদস্যদের সেখানে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। এদিকে, বঙ্গভবন ছাড়ার আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিদায়ী প্রেসিডেন্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করেন, যেখানে কর্মীরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান।

আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব ছাড়ার পর সাবেক প্রেসিডেন্ট চাইলে আরও এক মাস বঙ্গভবনে অবস্থান করতে পারতেন। তবে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর দ্রুতই বঙ্গভবন ছাড়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন এবং নিজের ব্যক্তিগত মালপত্র গুলশানের বাসভবনে স্থানান্তর করেন। ইতিমধ্যে ওই বাসভবনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজও শেষ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বঙ্গভবন ছাড়ার পর সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি বঙ্গভবনে না থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সরকারি বাসভবনেই অবস্থান করবেন।

পদত্যাগের পরও নিয়ম অনুযায়ী সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ছয় মাস রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সুবিধা পাবেন। ২০১৬ সালের ‘প্রেসিডেন্টের অবসর ভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী, তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সর্বশেষ প্রাপ্ত বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসর ভাতা পাবেন। এছাড়া তিনি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট, সরকারি নির্ধারিত দাপ্তরিক ব্যয়, সরকারি অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার, বাসভবনে টেলিফোন সংযোগ, মন্ত্রীর সমপর্যায়ের চিকিৎসা সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং দেশের ভেতরে সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজে বিনা ভাড়ায় থাকার সুবিধা পাবেন।