লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ পরিবারের চার সদস্যের লাশ উদ্ধার

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী ও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

নিহতরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী, যে জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, চারজনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির নিচতলায় কেউ থাকতেন না। মরদেহগুলো বাড়ির বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়; স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামী’র মরদেহ ছাদের এক প্রান্তে এবং গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ ছাদের অন্য প্রান্তে পড়ে ছিল। এছাড়া ছোট ছেলে প্রিয়মের মরদেহ পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে। স্থানীয়দের দাবি, রাতে কয়েকজন যুবককে ওই বাড়ি থেকে বের হতে দেখা গেছে।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহগুলোর গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং পুরো বাড়ি তছনছ অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা ডাকাতির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় ভ্যান নিয়ে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

রংপুরে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ পরিবারের চার সদস্যের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

নিহতরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী, যে জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, চারজনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির নিচতলায় কেউ থাকতেন না। মরদেহগুলো বাড়ির বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়; স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামী’র মরদেহ ছাদের এক প্রান্তে এবং গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ ছাদের অন্য প্রান্তে পড়ে ছিল। এছাড়া ছোট ছেলে প্রিয়মের মরদেহ পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে। স্থানীয়দের দাবি, রাতে কয়েকজন যুবককে ওই বাড়ি থেকে বের হতে দেখা গেছে।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহগুলোর গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং পুরো বাড়ি তছনছ অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা ডাকাতির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।