লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার, বেশির ভাগই নারী ও শিশু

গাজা সিটির একটি ধসে পড়া আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার চার দিন ধরে চলা উদ্ধার অভিযান শেষে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আবু দান জানান, গাজার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ‘কারাম’ ভবন থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ভবনটিতে উদ্ধারকাজ আপাতত শেষ ঘোষণা করা হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এখন বিশেষায়িত চিকিৎসাকর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা গাজা সিটির অন্য একটি এলাকায় নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরু করবেন।

গাজার উদ্ধারকারী দলগুলো বর্তমানে তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি হামলায় গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর বিশাল কংক্রিটের স্তূপ সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র অভাব রয়েছে সেখানে। ফলে উদ্ধারকারীদের প্রাথমিক সরঞ্জাম ও কায়িক শ্রমের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করেছেন যে, ভারী সরঞ্জামের অভাবে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে তাদের হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরাতে হচ্ছে, যা নিখোঁজ ও চাপা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে দীর্ঘ সময় নিচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পুরো উপত্যকাজুড়ে এখনো ৮ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় অন্তত ১ হাজার ২৫৪ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮০৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশিতে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুডিশিয়াল পে কমিশন পর্যালোচনায় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার, বেশির ভাগই নারী ও শিশু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

গাজা সিটির একটি ধসে পড়া আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার চার দিন ধরে চলা উদ্ধার অভিযান শেষে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আবু দান জানান, গাজার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ‘কারাম’ ভবন থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ভবনটিতে উদ্ধারকাজ আপাতত শেষ ঘোষণা করা হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এখন বিশেষায়িত চিকিৎসাকর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা গাজা সিটির অন্য একটি এলাকায় নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরু করবেন।

গাজার উদ্ধারকারী দলগুলো বর্তমানে তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি হামলায় গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর বিশাল কংক্রিটের স্তূপ সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র অভাব রয়েছে সেখানে। ফলে উদ্ধারকারীদের প্রাথমিক সরঞ্জাম ও কায়িক শ্রমের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করেছেন যে, ভারী সরঞ্জামের অভাবে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে তাদের হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরাতে হচ্ছে, যা নিখোঁজ ও চাপা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে দীর্ঘ সময় নিচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পুরো উপত্যকাজুড়ে এখনো ৮ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় অন্তত ১ হাজার ২৫৪ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮০৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশিতে।