লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ মাসের মধ্যে পিপলস লীগকে নিবন্ধনের নির্দেশ হাইকোর্টের

বাংলাদেশ পিপলস লীগকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২২ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।

এর আগে, দলটির মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না পেয়ে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট ইসিকে দলটির বিষয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জুন মাসে নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টে যে হলফনামা দাখিল করে, তাতে দাবি করা হয় যে বাংলাদেশ পিপলস লীগ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮-এর শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

ইসির মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দলটির দাখিল করা সাতটি জেলার মধ্যে মাত্র তিনটি জেলায় এবং ৩১টি উপজেলার মধ্যে ১৮টি উপজেলায় কার্যকর দপ্তরের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা নিবন্ধনের শর্তের তুলনায় অপ্রতুল। এই যুক্তিতেই কমিশন তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেছিল।

রায়ের পর দলের চেয়ারম্যান গরিব নেওয়াজ গণমাধ্যমকে জানান, ১৯৭৬ সালে ডা. আলীম আল রাজীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পিপলস লীগ ২০১২ সালে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। তিনি অভিযোগ করেন যে, অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন দলকে নিবন্ধন দেওয়া হলেও তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট রি-ইনকোয়ারির নির্দেশ দিলেও ইসি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি।

দলের মহাসচিব ও রিট আবেদনকারী সৈয়দ মাহবুব হোসেন দাবি করেন, ২০১২ সালে আবেদনের সময় তাদের ৮৩টি উপজেলা এবং ১৮টি জেলায় দপ্তর ছিল। বর্তমানে তাদের ১০১টি উপজেলা এবং ২১টি জেলায় দপ্তর রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে এবং ২০ দলীয় জোটের শরিক হওয়ার কারণে তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। আজ হাইকোর্টের রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন কমিশনের কাছে জামায়াতে ইসলামীর ৯ দফা দাবি

৩ মাসের মধ্যে পিপলস লীগকে নিবন্ধনের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:১৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ পিপলস লীগকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২২ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।

এর আগে, দলটির মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না পেয়ে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট ইসিকে দলটির বিষয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জুন মাসে নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টে যে হলফনামা দাখিল করে, তাতে দাবি করা হয় যে বাংলাদেশ পিপলস লীগ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮-এর শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

ইসির মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দলটির দাখিল করা সাতটি জেলার মধ্যে মাত্র তিনটি জেলায় এবং ৩১টি উপজেলার মধ্যে ১৮টি উপজেলায় কার্যকর দপ্তরের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা নিবন্ধনের শর্তের তুলনায় অপ্রতুল। এই যুক্তিতেই কমিশন তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেছিল।

রায়ের পর দলের চেয়ারম্যান গরিব নেওয়াজ গণমাধ্যমকে জানান, ১৯৭৬ সালে ডা. আলীম আল রাজীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পিপলস লীগ ২০১২ সালে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। তিনি অভিযোগ করেন যে, অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন দলকে নিবন্ধন দেওয়া হলেও তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট রি-ইনকোয়ারির নির্দেশ দিলেও ইসি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি।

দলের মহাসচিব ও রিট আবেদনকারী সৈয়দ মাহবুব হোসেন দাবি করেন, ২০১২ সালে আবেদনের সময় তাদের ৮৩টি উপজেলা এবং ১৮টি জেলায় দপ্তর ছিল। বর্তমানে তাদের ১০১টি উপজেলা এবং ২১টি জেলায় দপ্তর রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে এবং ২০ দলীয় জোটের শরিক হওয়ার কারণে তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। আজ হাইকোর্টের রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।