লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের আইনি বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষকে শাস্তির বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিমূলক সম্পর্ককে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির অজুহাতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধানটি কেন অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি হাবিবুল গনির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে যুক্ত হওয়া বিধানটির সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে এই সম্পূরক রুল প্রদান করেন।

আইনটির সংশ্লিষ্ট ধারায় বলা হয়েছে, দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সি কোনো নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করা এবং সেই সময়ে তাদের মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান গণমাধ্যমকে জানান, অতীতে ধর্ষণজনিত অপরাধের বিচার দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী হতো। তবে গত ৮-১০ বছর ধরে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’ হিসেবে মামলা দায়েরের প্রবণতা বেড়েছে। রিট আবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিমূলক ব্যক্তিগত সম্পর্ককে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা অস্পষ্ট, বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই নতুন সংশোধনী আইনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সম্পূরক হলফনামা দাখিল করা হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনার ১৬ বছরে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ ক্রসফায়ারে নিহত: আইনমন্ত্রী

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের আইনি বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষকে শাস্তির বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিমূলক সম্পর্ককে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির অজুহাতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধানটি কেন অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি হাবিবুল গনির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে যুক্ত হওয়া বিধানটির সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে এই সম্পূরক রুল প্রদান করেন।

আইনটির সংশ্লিষ্ট ধারায় বলা হয়েছে, দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সি কোনো নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করা এবং সেই সময়ে তাদের মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান গণমাধ্যমকে জানান, অতীতে ধর্ষণজনিত অপরাধের বিচার দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী হতো। তবে গত ৮-১০ বছর ধরে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’ হিসেবে মামলা দায়েরের প্রবণতা বেড়েছে। রিট আবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিমূলক ব্যক্তিগত সম্পর্ককে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা অস্পষ্ট, বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই নতুন সংশোধনী আইনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সম্পূরক হলফনামা দাখিল করা হয়েছিল।